রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাবুলের প্রেক্ষাপট তাকে এই আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন, যা তার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার বৌদ্ধিক সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।
এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ, কৃষি-সংকট, ন্যায্যমূল্য, সার ও বীজের সমস্যা—এসব বিষয়ে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো তিনি একটি ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী প্রভাবিত এলাকা থেকে সর্বোচ্চ ভোটে জয়লাভ করেছেন। রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং এলাকায় এই বিজয় তার সাংগঠনিক শক্তি ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কৃষি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এমন খাতে দায়িত্ব পালনে মাঠের অভিজ্ঞতা ও নীতিগত দক্ষতার সমন্বয় প্রয়োজন। বাবুলের শিক্ষা, সংগঠনভিত্তিক কাজ ও নির্বাচনী সাফল্য তাকে সম্ভাব্য কৃষিমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে।
তবে এখনো মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। শেষ পর্যন্ত দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে—কৃষকের মাঠ থেকে উঠে আসা এই নেতা কি সত্যিই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, নাকি আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকবে রাজনৈতিক পরিসরেই।

