আবু বকর সিদ্দিক:-মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।
লৌহজং উপজেলার কাজিরপাগলা এলাকায় ভিপি কেসভুক্ত প্রায় ২ একর ৭৮ শতাংশ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় স্থানীয় হাজী শাহজাহান ফকিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।জানা গেছে, ভিপি কেস নং ৫০৪/৬৮ এর আওতাভুক্ত জমিটি সরকারি ক তালিকাভুক্ত সম্পত্তি।
সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী জমিটি মৃত সোলেমান কমান্ডারের নামে তালিকাভুক্ত ছিল।তবে বর্তমানে তার কোনো বৈধ ওয়ারিশ জমিটির দখলে নেই বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ রয়েছে,ওই জমিকে পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,এসএ খতিয়ান ১৯৭ ও ১৯৮ এবং আরএস খতিয়ান ১৩৬, ৬৫৪ ও ১৩৪ নম্বর দাগ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে হাজী শাহজাহান ফকির পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে তিনি দাবি করেন,মৃত সোলেমানের ওয়ারিশরা আম-মোক্তারনামা দলিল সম্পাদন করেছেন।
তবে সরেজমিনে গিয়ে তার কোনো ওয়ারিশের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন,এটি সরকারি অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় ব্যক্তি মালিকানার সুযোগ নেই।তারপরও একটি মহল জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া দীর্ঘদিন ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাসকারীরা এখন জমির মালিকানা দাবি করছেন।এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
জানা গেছে,ইতোমধ্যে জমিতে সরকারি লাল নিশান টাঙানো হয়েছে।যা জমিটি সরকারি মালিকানাধীন হওয়ার প্রমাণ বহন করে।আইন অনুযায়ী ভিপি কেসভুক্ত জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ অবৈধ।এ ধরনের কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।এলাকাবাসীর অভিযোগ,একটি চক্র সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করছে।তারা প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।স্থানীয়রা বলছেন,সরকারি জমি রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।নচেৎ ভবিষ্যতে আরও সরকারি জমি দখলের ঝুঁকি বাড়বে।সচেতন মহল বলছে, এটি বাংলাদেশ সরকারের সম্পত্তি সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগই পারে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করতে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

