নিজস্ব প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থনে নির্বাচিত “গোল্ডেন এ+” প্রাপ্ত এক অপরাজিত সংসদ সদস্য কি প্রাপ্য মর্যাদা ও প্রমোশন পাবেন, নাকি কোনোমতে ৩৩ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ সমালোচিত এমপিরাই আবারো পুরস্কৃত হবেন—এ প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্রভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। আগামীকালই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের রায়ই চূড়ান্ত মানদণ্ড। যেখানে বিপুল ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি জনগণের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও সক্ষমতার স্বাক্ষর বহন করেন, সেখানে ন্যূনতম ব্যবধানে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া হলে তা জনমতের পরিপন্থী বলেই বিবেচিত হবে।
অনেকে অভিজ্ঞতার যুক্তি সামনে আনছেন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—যারা নিজেদের অভিজ্ঞ বলে দাবি করেন, তাদের উত্তীর্ণ হতে এতটা সংগ্রাম কেন? আর নবীন নেতৃত্বকে সুযোগ না দিলে অভিজ্ঞতার বিকাশই বা ঘটবে কীভাবে? রাষ্ট্রপরিচালনায় মেধা, সততা ও জনসমর্থনের সমন্বয়ই হওয়া উচিত মূল বিবেচ্য উপাদান।
দেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি জনগণের প্রত্যাশা সুস্পষ্ট—বক্তৃতার অলঙ্কার নয়, বাস্তবমুখী ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত। জনগণ বিশ্বাস করে, যোগ্যতা ও কৃতিত্বের যথার্থ মূল্যায়নই হবে তাঁর প্রশাসনিক দর্শনের প্রতিফলন।
চাঁদপুর-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন-কে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি মতলববাসীর মধ্যে ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। স্থানীয় জনমত বলছে, উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণে তাঁর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিত্বই হতে পারে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ।
এখন দেখার বিষয়—যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়, নাকি আপসের রাজনীতিই আবারো প্রাধান্য পায়। জনগণ অপেক্ষায় আছে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের।

