• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • মণিরামপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও তদন্তের আশ্বাস 

     swadhinshomoy 
    08th Apr 2026 5:48 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ‎উপজেলা প্রতিনিধি মণিরামপুর (যশোর):- যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার চরম অব্যবস্থাপনা, জরুরি বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা, অনিয়ম এবং সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালটির সার্বিক সেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এতে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম ভোগান্তি ও হতাশা বিরাজ করছে।

    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের যোগাযোগ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পাওয়া যায়। এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম বিপাকে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। এদিকে ৭ মাস বয়সী এক শিশু রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করেও নতুন অভিযোগ উঠেছে। স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জ্বরসহ শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক *মো: নাহিদ হাসান*-এর আচরণ ও ব্যবহার অশোভন ছিল।

    ‎এছাড়া দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠ ও দৈনিক নয়া সংবাদ পত্রিকার সাংবাদিক বিএম সাব্বির হাসান তথ্য সংগ্রহে হাসপাতালে গেলে তাকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক সাংবাদিকের উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, *উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সাল এসব ঘটনা সামনাসামনি দেখেও রহস্যজনকভাবে চুপ থাকেন*, যা নিয়ে স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সাংবাদিক মহল ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    ‎এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, একটি সরকারি হাসপাতালে জরুরি সেবা ব্যবস্থার এমন দুর্বলতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা প্রদান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে এমন ঘটনা ঘটা এবং তার নীরব থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই স্পষ্ট ইঙ্গিত। সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে হাসপাতালের প্রতি জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    ‎এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ‎এবিষয়ে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:সম্রাট হোসেন-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন: বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে একাধিক অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930