কামরুল হাসান,কুড়িগ্রামঃ
একটি গান আছে “একুল ভাঙ্গে ও কুল গড়ে এইতো নদীর খেলা”। কুড়িগ্রাম জেলা, নাগেশ্বরী উপজেলার আট টি ইউনিয়ন নদী অববাহিকায় ও নদীবেষ্টিত। শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি থাকে না, যার ফলে নদীর তলা উপরে উঠে আসছে।বর্ষার মৌসুম আসলে উজান থেকে পানি নেমে আসে তখন নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা থাকে না। নদীতে স্রোতের তীব্রতায় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়।
নদী ভাঙ্গনের শতশত বিঘা আবাদি জমি, ঘরবাড়ি নদীর স্রোতে বিলিন হয়ে যায় তার সাথে সাধারণ মানুষের স্বপ্নগুলোও বিলীন হয় ।জনজীবনে নেমে আসে অস্থিরতা ও স্বাভাবিক জীবন যাপন থমকে যায়। নদী ভাঙ্গনের কারণে অনেকেই বাড়ি ভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে শহরে দিন মজুরি করে।যার ফলে শহর গুলেতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, যানজট, পরিবেশ দূষণ সহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছে।
এই সকল সমস্যা নিরসন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নাগেশ্বরী উপজেলা চড় উন্নয়ন কমিটি ও বামন ডাঙ্গা, বল্লভের খাস ইউনিয়ন বাশির সমন্বয়ে আয়নালের ঘাটের পশ্চিম তীরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নাগেশ্বরী উপজেলার চর উন্নয়ন কমিটির আহবায়ক ও নাগেশ্বরী উপজেলার বিএনপির আহবায়ক জনাব গোলাম রসুল রাজা, নাগেশ্বরী উপজেলার চর উন্নয়ন কমিটির সদস্য সচিব ও নাগেশ্বরী পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জনাব ওমর ফারুক,নাগেশ্বরী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক জনাব মিনারুল ইসলাম, (বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী) নাগেশ্বরী উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক লেবু মিয়া,নাগেশ্বরী উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ও সাধারণ মানুষ।
উপস্থিত বক্তারা বলেন কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে,কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও। কৃষকরা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান তারা ফসল ফলায় তাই আমরা দুমুঠো খেতে পারি কিন্তু নদী ভাঙ্গনের কারণে ফসলি জমি না থাকলে ফসল পাবই বা কোথায়,খাবিই বা কি।তাই অনতবিলম্বে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

