• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • সরেজমিন কক্সবাজার ৩ হোটেল বাণিজ্য ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে মনিটরিং সেল জরুরি 

     swadhinshomoy 
    04th Sep 2025 7:07 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ সিরাজুল মনির কক্সবাজার থেকে ফিরে:

    রাজশাহী মহানগরীতে ১২ জন শিক্ষার্থীর একটি দল কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছিল গত ২৭ আগস্ট সকালে। কক্সবাজার কলাতলী নেমে এক দালালের খপ্পরে পড়ে সুগন্ধা এলাকার একটি হোটেলে উঠে। হোটেলে উঠার দিন ম্যানেজার বলে দিছিল বুধবার বৃহস্পতিবার অবস্থান করলে রুম ভাড়া এক ধরনের শুক্রবার শনিবার অবস্থান করলে বাড়তি রুম ভাড়া দিতে হবে। বাধ্য হয়ে শুক্রবার ও শনিবার নির্ধারিত ভাড়া থেকে ৫০০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া আদায় করে পর্যটকদের কাছ থেকে। শুক্রবার শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন হওয়ায় কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে যায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণীর হোটেল ব্যবসায়ীরা বাড়তি ভাড়া আদায় করে থাকে। এগুলোর কোন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় যেমন ইচ্ছা তেমন করে ভাড়া আদায় করে হোটেল মালিকরা।

    কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে আসা পর্যটকরা জানান একটু রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য পরিবার নিয়ে বা ব্যক্তিগত অথবা দলবেঁধে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে আসে নির্দিষ্ট কিছু খরচ নিয়ে কিন্তু কক্সবাজারে এসে খাবারের উর্ধ্বমুখী দাম আবাসিক হোটেল মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা যেমন তেমন ভাড়া আদায় পর্যটকদের চরম বিপদে ফেলে। তার উপরে দালালদের কপরে পড়লে তো আর কোন কথাই নেই। প্রতিটা বাস স্টপ এবং সিএনজি স্টপ ও রেল স্টেশনে দালাল শ্রেণী বিভিন্ন রূপ ধরে ঘোরাফেরা করে পর্যটকরা পরিবহন থেকে নামলেই দালালরা ঘিরে ধরে এতে অনেকটা বাধ্য হয়ে দালালদের সাথে কথা বলতে হয় পর্যটকদের আর কথা বললেই বিপদ যে কোনভাবে ফাঁদে ফেলে তাদের খপ্পরে করে ফেলে দেয় দালালরা। বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে তাদের পছন্দমত হোটেলে নিয়ে যায় তারা এখান থেকে একটা কমিশন পেয়ে দালালরা চলে যায়। এসব কিছু তো অতিরিক্ত খরচ অনেক পর্যটক বহন করতে পারে না। দালালদের দৌরাত্ব বন্ধ এবং হোটেল মালিকদের অতিরিক্ত স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে হোটেল মোটেল জোনে আলাদা করে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং সেল স্থাপনের দাবি জানান পর্যটকরা।

    কক্সবাজার হোটেল অনার্স মালিক সমিতির সভাপতি বলেন কিছু কিছু ছোট হোটেলের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ মাঝেমধ্যে আসে আমরা অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। পর্যটকদের প্রতি তার অনুরোধ সময়ের অসময়ে বাড়তি ভাড়া আদায় করলে সরাসরি সমিতিকে অভিযোগ করার জন্য।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় কক্সবাজারের হোটেলগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। হোটেল গুলোর বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অভিযোগ করে তাকে পর্যটকরা। অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। দালালদের দৌরাত্ব বিষয়ে জেলা প্রশাসন সূত্র বলেন স্থানীয় কিছু ব্যক্তি এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু ব্যক্তির সমন্বয়ে কক্সবাজারে একটা দালাল শ্রেণী রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রায় সময় পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। তবে সে ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিজস্ব সচেতনতা জরুরী বলে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন। এখন অধিকাংশ হোটেলে অনলাইন বুকিং এর মাধ্যমে পর্যটকরা রুম বুকিং এর সুবিধা গ্রহণ করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930