গৌতম কুমার মহন্ত,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর বিভিন্ন স্থানে থেকে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিশু কন্যা ও বৃদ্ধর হাত-পা বাঁধাসহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৯ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার জেলার রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের মেহেদী হাসানের (২৯) বাড়ির পাশের আম গাছ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।সে ওই গ্রামের মোখলেছার রহমানের পুত্র। স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন থেকে মেহেদীর সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ চলে আসছিল।এ ঘটনার আগের দিন মেহেদীর স্ত্রী তার পিতার বাড়ি চলে যায়।পরদিন তার ঝুলন্ত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) বাবলু জানান,মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।এদিকে নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর জেলার সাপাহার উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিছলডাঙা গ্রামের বৃদ্ধ নুরুল ইসলামের (৭৫) হাত পা-বাঁধা মরদেহ তার বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দুরে খালের পানি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। বৃদ্ধর পারিবারের সদস্যরা জানান গত বুধবার ফজরের নামাজ পড়ার জন্য তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।২৪ ঘন্টা পর বৃহস্পতিবার ভোরে ওই এলাকার লোকজন বৃদ্ধের মরদেহ খালের পানিতে ভাসতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়।খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আজিজ বলেন,ধারণা করা হচ্ছে বৃদ্ধকে হত্যার পরে হাত-পা বেঁধে তাকে পানিতে ফেলে দেয়া হয়েছে।এছাড়াও এদিন সকালে পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের চক্করতলী গ্রামের আশরাফুলের শিশু কন্যা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সুমাইয়ার (৯) মরদেহ বাড়ির পাশের আমবাগন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, আম বাগানের মধ্যে থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

