মোঃ রেজাউল হক রহমত
ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয়ব সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনে ছিল চরম ব্যস্ততা ও রাজনৈতিক উত্তাপ। নির্ধারিত শেষ দিনেই এ আসনের সকল প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সকাল থেকেই উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় প্রার্থীদের পদচারণা, দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। একের পর এক প্রার্থী তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচন কার্যালয়ে এসে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
সর্বপ্রথম মনোনয়নপত্র জমা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। এরপর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট এম. এ. মান্নান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আশরাফী চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মোট ৮ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সময়সীমার মধ্যে সব মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।
মনোনয়ন জমা শেষে প্রার্থীরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্য, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভোটারদের প্রতি প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
মনোনয়নপত্র জমাদানকে কেন্দ্র করে নির্বাচন অফিস চত্বরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দ শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে।

