মফিজ উদ্দিন তালুকদার( ময়মনসিংহ):
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন-বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আওতায়ভূক্ত নিবন্ধন অধিদপ্তরের একজন উপনিবন্ধন কর্মকর্তা হয়ে ভূমি রেজিষ্ট্রেশনে সরকারের রাজস্ব আদায়ে তিনি বদ্ধ পরিকর। সরকারের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পালনকালে নিজ কার্যালয়ের জনবান্ধন অফিসার হিসেবে যিনি ব্যাপক প্রশংসনীয় হয়ে ওঠেছেন- তিনি হলেন ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার জাহিদ হাসান ।
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস একসময় ছিল জনভোগান্তীর কার্যালয় কিন্তু সেই জনদূর্ভোগের রেকর্ড ভেঙ্গে জনবান্ধব অফিসার হিসেবে ময়মনসিংহ সদরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।
আগত সেবা প্রত্যাশী দাতা-গ্রহিতাদের কাছে তিনি
একজন মানবিক ও আদর্শ অফিসার হিসেবে অতি প্রিয় হয়ে ওঠেছেন ।
সেবা প্রত্যাশী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের শম্ভুগঞ্জ বাজার (রঘুরামপুর) নিবাসী হামিদা খাতুন নামের এক বৃদ্ধ মহিলা” দৈনিক স্বাধীন বাংলার সংবাদ “এর প্রতিনিধিকে জানান, আমি একজন বৃদ্ধ ও অসুস্থ্য মহিলা হিসেবে গত ৪ঠা জানুয়ারী/২৬ (রবিবার) জমি রেজিষ্ট্রেশন করে দেয়ার জন্য ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গেলে, দলিল লেখকের নিকট হতে সাব-রেজিষ্ট্রার জানতে পারেন জমির দাতা একজন বৃদ্ধ অসুস্থ্য নারী, সে কথা শুনামাত্রই তিনি দুপুরের খাবার ফেলে রেখে আমার দলিল খানা রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়েছেন। আমি একজন নাগরিক হিসেবে এমন মহৎ অফিসারের জনবান্ধব সেবা পেয়ে খুবই সন্তুষ্ট হয়েছি।
এমন একাধিক মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসায় ভাসছেন সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান ।
সদরের একাধিক সেবাপ্রাপ্তি নাগরিকরা জানিয়েছেন,সাব-রেজিষ্ট্রার জাহিদ হাসান একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা, তিনি সদর অফিসে যোগদানের পর থেকে ভূমি রেজিষ্ট্রেশনের দীর্ঘ বছরের ভোগান্তি দূর হয়েছে।
দীর্ঘ বছরের ভূমি রেজিষ্ট্রেশনে ভোগান্তি নির্মুল হওয়ায় সাব-রেজিষ্ট্রার জাহিদ হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞ জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদরবাসী।

