এস আলম, জামালপুর
জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নে পরকীয়া করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছেন দুই সন্তানের জনক এক ব্যক্তি ও এক সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রী। গত বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে শবে বরাতের পবিত্র রজনীতে ইউনিয়নের চৌরাস্তা মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন. মো. নুরুল ইসলাম (৩৫): সদর উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের গোদাশিমলা এলাকার আকবর আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন লেদ মিস্ত্রি এবং দুই সন্তানের জনক।অপর জন হলেন, মোছা. নীপা আক্তার: রশিদপুর চৌরাস্তা এলাকার প্রবাসী রবিন আলীর স্ত্রী এবং এক সন্তানের জননী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শবে বরাতের রাতে নীপার শাশুড়ি ও তার ছোট ছেলের বউ ইবাদত-বন্দেগি করছিলেন। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ছোট জা ঘরের বাইরে বের হলে নীপার ঘর থেকে পুরুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি শাশুড়িকে জানান।
নীপার শাশুড়ি জানান, তারা ঘরের দরজায় গিয়ে শুনতে পান নীপার ২ বছরের শিশু সন্তান বলছে, “এটা আমার আব্বা নয়।” এরপর দীর্ঘ ১০ মিনিট ডাকাডাকির পর নীপা দরজা খুলে দেন। প্রথমে ঘরে কাউকে পাওয়া না গেলেও তল্লাশির একপর্যায়ে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় নুরুল ইসলামকে আটক করা হয়।
এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই উৎসুক জনতা অভিযুক্তদের দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমায়। খবর পেয়ে প্রবাসী স্বামী রবিন আলী জানান, “যে স্ত্রী স্বামী-সন্তানের কথা চিন্তা না করে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়, তার সাথে সংসার করা সম্ভব নয়।” তিনি পারিবারিকভাবে নীপা আক্তারকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

