• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • একই মাঠে দুই গভীর নলকূপ, রহস্য ঘনীভূত! 

     swadhinshomoy 
    07th Feb 2026 2:46 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় সরকারি সেচ নীতিমালার চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ১৪০ ফুট দূরত্বের মধ্যে দুইটি গভীর নলকূপ স্থাপন, সেচ ক্যাটাগরির বিদ্যুৎ মিটার ব্যবহার করে রশিদ ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রতিবাদ করায় সাধারণ কৃষকদের মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষক মোঃ মামুনুর রশিদ (২৯)।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ১১নং রাধাকানাই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ জড়িনা খাতুন (৪৮) ও তার মেয়ে সালমা খাতুন নিজ নিজ বসতবাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপন করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষকদের জমিতে সেচ কার্য পরিচালনা করে আসছেন। অথচ সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী এত স্বল্প দূরত্বের মধ্যে একাধিক গভীর নলকূপ স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
    ভুক্তভোগী কৃষক মোঃ মামুনুর রশিদ জানান, তিনি ২০২১ সালে নিয়ম মেনে গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য আবেদন করলেও অনুমোদন পাননি। অথচ একই এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে এবং প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় মাত্র ১৪০ ফুটের ব্যবধানে দুইটি গভীর নলকূপ স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকার নির্ধারিত সেচ ফি যেখানে প্রতি কাঠা জমির জন্য ৩৯০ টাকা, সেখানে অভিযুক্তরা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কাঠা ৬০০ টাকা করে আদায় করছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই অর্থ আদায়ের বিপরীতে কোনো ধরনের সরকারি রশিদ প্রদান করা হচ্ছে না, যা সরাসরি রাজস্ব ফাঁকির ইঙ্গিত বহন করে।
    ভুক্তভোগী কৃষকের দাবি, প্রতিবাদ জানাতে গেলে সংশ্লিষ্ট বিআরটিসির কর্মকর্তা ইলিয়াস তাকে ও অন্য কৃষকদের মিথ্যা মামলার হুমকি দেন। এতে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রমাণ পাওয়ার পর একটি গভীর নলকূপ প্রায় ১০ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো ধরনের দৃশ্যমান তদন্ত বা ব্যাখ্যা ছাড়াই রহস্যজনকভাবে পুনরায় তা চালু করা হয়, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
    অন্যদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অভিযোগকারী মোঃ মামুনুর রশিদের মালিকানাধীন প্রায় ২১ শতাংশ জমিতে ইচ্ছাকৃতভাবে সেচ সুবিধা বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে তিনি জমিতে চাষাবাদ করতে না পেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
    এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সেচ ব্যবস্থার মতো সংবেদনশীল খাতে এমন অনিয়ম শুধু কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং সরকারি রাজস্ব ও নীতিমালাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট অনুমোদনের নথি যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
    ভুক্তভোগী কৃষক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728