ইলিয়াস আলী মাসুক,হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে জারুলিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ কেন্দ্রে নেই কোন পরিচিতি সাইন বোর্ড, ঝুলছে তালা কাগজে কলমে নাম মাত্র চলছে পরিবার পরিকল্পনা শাস্হ্যসেবা ক্লিনিক।
রিপোর্ট
গাজীপুর ১ নং ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা জেলা কর্মকর্তা এ কে এম সেলিম ভুঁইয়া তিনি জানান জনবল কম থাকায় মাত্র একজন সেবাদান মাঠ কর্মী দিয়ে এরকম চার থেকে পাঁচটি কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করাতে হয়, তাই এখানে বন্ধ রাখা হয়। প্রতি মাসে একদিন অথবা দুইদিন ডাঃ থাকেন এখানে। স্হানীয় সাধারণ জানান বাস্তবে নেই কোন ডাক্তার, নাই কোন ঔষধ এমনকি চিকিৎসা সেবা। দেখে মনে হয় এ যেন এক পরিত্যাক্ত ভুতুড়ে বাড়ী। শুধুতাই নয় এখানে প্রায়সময় থাকে বখাটেদের আড্ডা, এখানে রয়েছে বহুপুরাতন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা সরকারি বিভিন্ন জাতের গাছ, শাস্হ্য কর্মীর যোগসাজশে আড়াই লক্ষ টাকা মুল্যের চারটি সরকারী গাছ অনুমোদন বিহীন চুরাই পথে কেটে নিয়ে বিক্রিয় করে দেয়ারও রয়েছে গুরুতর অভিযোগ।
আরো জানাচ্ছেন হবিগঞ্জ থেকে সহকর্মী ইলিয়াস আলী মাসুক এর ভিডিও চিত্রে বিস্তারিত
ডেক্সরির্পোট ———–
হবিগঞ্জর চুনারুঘাট উপজেলা ১নং গাজীপুর ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা শাস্হ্যসেবা কেন্দ্রটি চলছে শুধু কাগজে কলমে এখানে বাস্তব ছিত্রে নেই কোন সেবাদান কর্মসূচি অথবা ডাক্তার। খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতি সপ্তাহে একজন শাস্হ্যসহকারী ডাঃ মাসুক আসেন কিন্তু এখানে কোন চিকিৎসা, ঔষধ দেয়া হয়না। বিশাল এড়িয়াজুড়ে রয়েছে দুইটি ভবন ঝুলছে তালা নেই কোন সাইনবোর্ড। শাস্হ্য কেন্দ্রের এরিয়ায রয়েছে দাড়িয়ে থাকা শতবর্ষের পুরানো বেশকিছু গাছ,গত ১০ নভেম্বর রাতে ঐ এলাকার প্রভাবশালী ইউনিয়ন বিএনপির সহঃ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) জমাদার ও স্হানিয় মেম্বার মোঃ কবির মিয়া সহ কয়েকজন মিলে রাতের আঁধারে চুরি করে কেটে নিয়ে যায় আড়াই লক্ষ টাকার চারটি গাছ। ঐ গাছগুলি চুরি করে নিয়ে ধলাজাই গ্রামের গাছ ব্যাসায়ী করিম মিয়ার নিকট বিক্রয় করে দিয়েছেন এ প্রভাবশালী চুরচক্র মহল। পরে এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে পরবর্তীতে গত ১২ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ গাজীপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক FPT মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বাদী হয়ে গাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহঃ- সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) জমাদার ও স্হানিয় মেম্বার মোঃ কবির মিয়া সহ চুরির ঘটনায় জড়িত আরো ৪-৫ জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় একটি দায়সারা অভিযোগ দায়ের করেন ।পরে তা অজ্ঞাত কারণ বশত তুলে নেয়া হয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ঐ এলাকার সচেতন মহলের। এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের নেই কোন জোরালো ভূমিকা গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে এলাকা বাসীর।
পার্শবর্তী স্থানীয় লোকজন জানান
রাতের আঁধারে সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যায় চোরেরা। তবে এলাকার স্থানীয় সূত্রে জানাযায় যে,ফ্যামিলি প্ল্যানিং এর ডাঃ মাসুক মোটাঅঙ্কের আর্থিক সুবিধা গ্রহনের মাধ্যমে গাছগুলি চুরির সাথে একান্ত ভাবে তিনি জড়িত, সরেজমিনে দেখা যায় যে,ঐচুরাইকৃত গাছের আংশিক রয়েছে ঘটনা স্হলে, তার একটি বড় অংশ গোপনে সরিয়ে নিয়েগেছে চোরেরা।
অবশিষ্টাংশ চুরাইকৃত গাছ চুনারুঘাট জারুলিয়া বাজার থেকে ডাঃ মাসুকের নিজস্ব লোক দিয়ে এনে রাখা হয়েছে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ের পিছনে, বিয়াম ল্যাবটারী স্কুলের পরিত্যক্ত স্থানে।
পরিবার পরিকল্পনা জেলা কর্মকর্তা এ কে এম সেলিম ভুঁইয়া তিনি জানান বিষয়টি আমি শুনেছি এবং মামলা দায়ের করার জন্য নির্দেশও দিয়েছি, আমি আবার ঘটনাস্থলে যাব পরিদর্শন করে বিষয়টি দেখব।

