তম কুমার মহন্ত, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলসহ ক’দিনের অতি বর্ষণে নওগাঁর নদী গুলোতে হুহু করে পানি বাড়ছে।ইতোমধ্যেই মধ্যে আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করাসহ এ নদী নদীর দুই তীরে অবস্থতি বেঁড়ি বাঁধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ৩০টি স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।একই সঙ্গে জেলার শহরের বুক চিরে যাওয়া যমুনা নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থায় রয়েছে।তবে আত্রাই নদীর দুই স্থানে বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। জেলার আত্রাই নদীর বন্যার পানি লোকালয়ে ঢুকেছে।ডুবতে শুরু করেছে গ্রামগঞ্জের হাট বাজার ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ।ইতোমধ্যেই কয়েক হাজার বিঘা জমির রোপণকৃত আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে পানির নিচে। ১৫ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, জেলার মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীর পানি জোতবাজারে বিপদ সীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ও আত্রাই রেলওয়ে ব্রীজ পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।এ ছাড়া ধামইরহাট উপজেলার আত্রাই নদীর শিমুলতলী পয়েন্টে ৬৫ সেন্টিমিটার ও মহাদেবপুর পয়েন্টে বিপসীমার ৮৯ সেন্টিমিটার এবং জেলা শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ছোট যমুনা নদীর পানি লিটন ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার এবং পূর্ণভবা নদীর পানি নীতপুর পোরশা পয়েন্টে বিপদ সীমার শূন্য দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মান্দা উপজেলায় আত্রাই নদীর পানি জোতবাজার পয়েন্টে বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।ফলে মান্দা উপজেলার চকরামপুর,উত্তর চকরামপুর, কয়লাবাড়ী, জোকাহাট, দ্বারিয়াপুর, নুরুল্লাবাদ, পারনুরুল্লাবাদ ও তালপাতিলা এলাকার অন্তত ১০ টি বেড়ি বাঁধ অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের লক্ষ্মীরামপুর,আয়াপুর,পাঁজরভাঙ্

