• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কবি আল মাহমুদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন 

     swadhinshomoy 
    16th Feb 2026 4:44 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আব্বাস উদ্দিন :জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

    আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি আল মাহমুদ-এর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা আয়োজনে তাঁকে স্মরণ করা হয়েছে।

    রবিবার বিকেল ৪টায় কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক আলোচনা ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    একইসঙ্গে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় কবির আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

    কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খান সাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পরিষদের উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি।

    তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “কবি আল মাহমুদ শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন, তিনি বিশ্বসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। তাঁর শেকড় সন্ধানী সাহিত্যকর্ম আগামী প্রজন্মকে আজীবন পথ দেখাবে।”

    কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসাইন জিহাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও বিশিষ্ট কবি সানাউল হক এবং জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবী বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম আবুল বাশার।

    বক্তারা কবির জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করে তাঁর সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, আল মাহমুদ শুধু একজন কবি নন; তিনি ছিলেন বাংলা কবিতার ভাষা, ভাব ও বোধের এক স্বতন্ত্র নির্মাতা। গ্রামবাংলার মাটি, মানুষের জীবনসংগ্রাম, প্রেম-প্রকৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং জাতীয় চেতনা তাঁর কবিতায় শক্তিশালীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা তাঁর সৃষ্টিকে দিয়েছে গভীরতা ও বৈচিত্র্য।

    বক্তারা তাঁর কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ সোনালী কাবিন-এর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এ গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিল। এছাড়াও তাঁর অন্যান্য কবিতা ও গদ্য রচনাও সমানভাবে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে এবং গবেষণার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সাহিত্যকর্ম পৌঁছে দিতে নিয়মিত পাঠচক্র, আলোচনা ও গবেষণার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় কবি, লেখক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার পাশাপাশি কবির নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হয় এবং তাঁর সাহিত্যজীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়। স্মৃতিচারণ ও কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে উপস্থিত সকলে এই মহান কবির প্রতি তাঁদের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেন।

    দিবসটি উপলক্ষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আল মাহমুদের সাহিত্যচর্চা ও গবেষণাকে আরও বেগবান করতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে,  এবং কবি আল মাহমুদের সোনালী কাবিন পদক কবির জন্মদিন উপলক্ষে প্রদান করা হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728