মোঃ মিজানুর রহমান,চরফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধিঃ
চরফ্যাসনের দক্ষিণ আইচায় জোহরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাওয়ার পথে দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মানিকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিম খন্দকারকে কুপিয়েছে একই এলাকার আবুল হোসেন। কোপানোর সিসিটিভির ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
এ সময় থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের মাস্টারকে হামলা করে ।
দক্ষিণ আইচা বাসস্টান্ড সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভূইয়া।
অভিযুক্ত আবুল হোসেন চর মানিকা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের আমিন মিয়ার ছেলে।
আহত রেজাউল করিম খন্দকারকে চরফ্যাসন হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহত আবু তাহের মাস্টার বলেন, চর কচ্ছপিয়া থেকে আমি মটর সাইকেল চালিয়ে রেজাউল করিম স্যারকে নিয়ে জোহরের নামাজের জন্য দক্ষিণ আইচা বাসস্টান্ডে আসি, এ সময় চলন্ত মটর সাইকেলের পিছনে বসা রেজাউল স্যারেকে বগি দা দিয়ে আবুল হোসেন কোপাতে শুরু করলে, সে রাস্তায় পড়ে যায়, আমি স্যারকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে আবুল হোসেন আমার উপর হামলা করে। রেজাউল স্যার উঠে পাশের দোকানে গেলে সেখানে গিয়েও তাকে কোপায় অভিযুক্ত আবুল হোসেন।
হাসপাতালে অধ্যাপক রেজাউল করিমের বোন কারিমা বেগম কানাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি আবুল হোসেনকে চিনিনা, শুনেছি সে আমার ভাইকে কুপিয়েছে, আমার ভাইয়ের সাথে তার কোন পূর্ব বিরোধ নাই।
রেজাউল স্যারের সাথে তার কোন বিরোধ হওয়ার কারণ জানা নাই ।
চরফ্যাসন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেন বলেন, বিএনপি নেতা অধ্যাপক রেজাউল করিমের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। হামলাকারী দুর্বৃত্তকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের উপর আহবান জানাচ্ছি।
চরফ্যাসন উপজেলা হাসপাতালে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডা: নিঝুম মাহিয়া বলেন, অধ্যাপক রেজাউল করিমের ঘাড় সহ শরীরের সাত স্থানে কোপের আঘাত রয়েছে। তার অবস্থা স্টাবল রয়েছে। ঘারে কোপের জখম থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেছি।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি এরশাদুল হক ভূইয়া বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখেছি মানিকা ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল হোসেন অধ্যাপক রেজাউল করিম খন্দকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে। অভিযুক্ত আবুল হোসেনকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

