মোঃ হাচান স্টাফ রিপোর্টার:
বাকেরগঞ্জ উপজেলার দারিয়ালী ইউনিয়ন এর বগা খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোন ভাড়ার তালিকা নেই। নেই কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা, কেবল মাত্র নদী পারাপারের জন্য খেয়ায় চড়লেই গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। আর রাতের চিত্র তো আরও ভয়াবহ। জরুরি কাজে পারাপার কিংবা অসুস্থ রোগী নিয়ে নদীর ওপারে পৌঁছাতে হলে ফোন দিয়ে পাওয়া যায় না তাদের। কখনো যদি রাতে পারাপারের সুযোগ পাওয়া যায় তখন গুনতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। আর এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে গ্রামীণ জনপথের খেয়াঘাট ইজারাদারদের নৈরাজ্য। মানুষের সেবা নয়, খেয়া পারাপারের নামে এসব ঘাটে চলছে নিরব চাঁদাবাজী। বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের বগা টু কাটাদিয়া খেয়াঘাটের এ চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রতিদিন এসব খেয়াঘাট দিয়ে শতশত মানুষের পারাপার। তবে এই খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারের জন্য এই ঘাটে নেই কোন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়ার চাট বা তালিকা টানায়নি ইজারাদাররা। ফলে ইচ্ছেমত যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। অসুস্থ রোগী কিংবা জরুরি প্রয়োজনে পারাপার হতে হলে গুনতে হয় অতিরিক্ত ভাড়া, করা হয় না সময়মতো পারাপার, ঘাটে এসে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। আর চড়া মূল্য আদায় এবং তাড়াতাড়ি খেয়া পারাপার করার প্রতিবাদ কিংবা দর কষাকষি করলেই হতে হয় তাদের কাছে লাঞ্চনার শিকার। এমন কী গায়ে হাত তোলার মতো দুঃসাহস দেখিয়ে থাকে তারা। বগা এলাকায় বিকল্প পারাপারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই পার হতে হয় বগা খেয়া এ ঘাটে ভাড়ার নামে নেওয়া হয় মোটা অংকের চাঁদা ও তার পাশাপাশি হুমকি ও লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।
স্থানীয়দের মতে পূর্বে এখানে যাঁরা খেয়া পারাপারের দ্বায়িত্বে ছিলেন তাদের আচরণবিধি এমন ছিলো না। কিন্তু এখন যাঁরা পারাপারের দ্বায়িত্বে রয়েছে তাঁরা পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই পেশিশক্তির উৎস বা সাহস তাঁরা কোথা থেকে পাচ্ছে এবং এ শক্তির পিছনে কে রয়েছে ??

