মো:আলমগীর খান,স্টাফ রিপোর্টার:
জুম্মার নামাজের পর, ইমাম নিয়োগ, কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আব্দুল হেলিম সহ আহত হয়েছেন তিনজন। পরবর্তীতে পুলিশ তিন রাউন্ড ফাঁকা ফায়ার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এমনি ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড বালিয়াপাড়া পুরাতন জামে মসজিদে। এ ঘটনার পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও উভয় দুই পক্ষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, পুরাতন জামে মসজিদের বর্তমান ইমাম গত ৩৭ বছর যাবত একাধারে এই মসজিদে ইমামতি করছেন। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে মসজিদ কমিটি হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে ইমাম পরিবর্তনের আলোচনা। ইমাম পরিবর্তনের বিষয়ে গ্রামবাসী রাজি না থাকলেও, মসজিদ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা সবুজ গত ০৩-০৯-২৫ ইং তারিখে সভাপতি রোস্তম আলিকে নিয়ে মাওলানা আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যক্তিকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে গ্রামবাসী পুরাতন ইমাম মাওলানা আবুল খায়েরকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের শরণাপন্ন হলে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার যাচাই-বাছাই করে পুরাতন ইমাম মাওলানা আবুল খায়েরকে পুনরায় মসজিদে নামাজ পরানো ও ইমামতি করার অনুমতি প্রদান করেন।
ইমামতি নিয়ে ধুম্রজাল থাকায় পুলিশ কর্তৃপক্ষ পূর্ব থেকে সতর্কতার সহিত বালিয়াপাড়া পুরাতন জামে মসজিদে নামাজের পূর্বেই উপস্থিত থাকেন। এরপরেও দুপক্ষের মধ্যে নামাজের পরপর ব্যাপক গোলযোগের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তিন রাউন্ড রাবার বুলেটর ফাঁকা গুলি করেন।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ বলেন- বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমি সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য জুম্মার নামাজের পূর্বেই জুম্মাবাড়ি মসজিদে উপস্থিত ছিলাম। নামাজের শেষে দুই পক্ষের গোলযোগ নিয়ন্ত্রণে করতে তিন রাউন্ড রাবার বুলেট ফাঁকা গুলি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক আছে।

