• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • মাস্টার্সের ফল প্রকাশের পরও হলে সিট বরাদ্দ পেলেন সাবেক শিবির নেতা 

     swadhinshomoy 
    21st Sep 2025 4:43 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান, ববি প্রতিনিধি:

    মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পরও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেরে-বাংলা হলে দ্বৈতাবাসিক আসন বরাদ্দ পেয়েছেন মো. শহিদুল ইসলাম নামে শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক এক নেতা। বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি ফোকাস কোচিংয়ের বরিশাল শাখার সহকারী পরিচালক ছিলেন বলেও জানা গেছে।
    রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত শেরে বাংলা হলের দ্বৈতাবাসিক আসন পাওয়ারের তালিকা ১ নম্বরে নাম রয়েছে শহিদুলের নাম। কিন্তু গত ১৫ জুলাই বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল।
    তবে অভিযুক্ত শহিদুল দাবি করেন, তিনি যখন সিটের জন্য আবেদন করেছিলেন তখন মাস্টার্স ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে চলে গেছেন। তাই তিনি হলে তার বরাদ্দকৃত সিটে উঠবেন না।
    এদিকে, বারবার আবেদন করেও আসন না পেয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী। অভিযোগ করে তারা জানান, হলের আসন পেতে গেলে লাগে রাজনৈতিক পদ নয়তো তেলবাজি। যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, ক্যাম্পাস থেকে বাড়ি কাছে তারা আসন পাচ্ছে কিন্তু কয়েকশ কিলোমিটার দূরের হয়েও পাচ্ছে না আসন।
    এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শহিদুল শিবিরের সাথী ছিলেন, কিন্তু বর্তমান কমিটিতে নেই। অনেক আগে আবেদন নেওয়া হয়েছে তখন শহিদুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল, সাবেক শিক্ষার্থী সিট পেলে এটা প্রশাসনের গাফিলতি। আমিও অনেক শিক্ষার্থীদের থেকে জেনেছি হলে আবেদন করে তারা সিট পাচ্ছে না, এটা দুঃখজনক।
    অভিযুক্ত শহিদুল বলেন, যখন আবেদন করেছি, তখন আমি মাস্টার্স ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলাম। আমি ভাবছি এটা মাস্টার্স জোনের সিঙ্গেল সিট, তাই ভাইভা দিয়েছিলাম। এখন আমি বাড়িতে চলে এসেছি ও হলে উঠবো না। আমি আগে শিবিরের অনেক দায়িত্ব পালন করেছি, কিন্তু এখন কোনো দায়িত্বে নেই।
    শেরে-বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ আব্দুল আলিম বাসির বলেন, হলে যে পরিমাণ সিট ফাঁকা আছে তার থেকে কয়েকগুণ বেশি আবেদন পড়েছে। তাই অনেকেরই সিট প্রয়োজন হলেও দিতে পারিনি। অর্থনৈতিক অবস্থা, রেজাল্ট, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়ির দূরত্ব বিবেচনা করে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে তথ্য দিতে পারেনি। তাই বিষয়টি আমি জানতাম না। তাকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ দেওয়া হবে না এবং সিটটি অন্য একজনকে দেওয়া হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930