swadhinshomoy
14th Aug 2025 5:38 am | অনলাইন সংস্করণ Print
সুমন হোসেইন, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীর বালু উত্তোলনের অনুমোদন দিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ।অপরিকল্পিত ড্রেজিংয়ে কারণে নদীর দুই পারে ভাঙন শুরু হয়েছে।নিজেদের ইজারাদারকে সতর্ক করেও নিয়মের মধ্য রাখা যায়নি।ফলে গত সোমবার বালু উত্তোলন কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে,ইজারাদার নিয়ম ভেঙে অনুমোদনের অতিরিক্ত বালু উত্তোলন করেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে নদীপারের কয়েকশ পরিবার ও বিভিন্ন শিল্প কারখানা।মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকা ঘেঁষে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা মোহনা-সংলগ্ন নদীর দুই পারে এই ভাঙন দেখা দিয়েছে।প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে।স্থানীয়রা জানান, ৮ থেকে ১০ দিন আগে ভাঙন শুরু হয়।ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদ করলেও প্রতিকার মিলছিল না।বিষয়টি নজরে এলে বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ বন্দর কার্যালয় কর্তৃপক্ষ সোমবার এক চিঠিতে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ড্রেজিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।গতকাল মঙ্গলবার থেকে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনায় ড্রেজিং করে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে।গত ২৭ এপ্রিল টেন্ডারের মাধ্যমে ৪১ লাখ ৮১ হাজার ২৫০ ঘনফুট মাটি-বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা দেয় বিআইডব্লিউটিএ।প্রায় এক কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন শহিদুল ইসলাম। ৯০ দিনের মধ্যে এই বালু অপসারণ করতে ২৯ জুন থেকে ড্রেজিং শুরু হয়।তবে অপরিকল্পিত ও টেন্ডারের নির্দেশনা অমান্য করে বেশি ড্রেজার মেশিন দিয়ে ড্রেজিং করার নদীর পারে ভাঙন দেখা দেয়।নদী তীরের বাসিন্দারা জানান, বিআইডব্লিউটিএর শর্তের কোনো তোয়াক্কা করছে না ইজারাদার।প্রতিদিন ১০টি ড্রেজার কাজ করার কথা থাকলেও কার্যত ২০ থেকে ২৫টি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়।দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করার শর্ত থাকলেও তা উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত বালু তোলা হয়।২০ দিনেই লক্ষ্যমাত্রার পুরো বালু তুলে ফেলেছে-এমন অভিযোগ করে পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দারা ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।মিরেশ্বর এলাকার বাসিন্দা আল আমিন বুলবুল বলেন,পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার মিরেশ্বর মৌজায় তাদের জমি রয়েছে।সেখানে নদীর তীর ভাঙছে।তিনি বলেন, গুঞ্জন আছে,কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে এই ইজারা নেওয়া হয়।বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, ‘নদীর ভরাট করা স্থান অপসারণে ইজারাদার নিয়োগ করা হয়েছে।তবে শর্ত ভঙ্গ করায় এবং নদীতে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ইজারাদারকে প্রথমে সতর্ক করা হয়।দ্বিতীয় পর্যায়ে গত সোমবার বালু উত্তোলন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।তিনি বলেন,দু-এক দিনের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট শাখা নদীর তলদেশে হাইড্রোলিক জরিপ কাজ শুরু করবে।জরিপের রিপোর্ট পাওয়ার পর ড্রেজিং চালানো হবে নাকি বন্ধ করা হবে তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়।তিনি ফোন ধরেননি।স্থানীয়রা জানান,
মুন্সীগঞ্জে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীর বালু উত্তোলনের অনুমোদন দিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ।অপরিকল্পিত ড্রেজিংয়ে কারণে নদীর দুই পারে ভাঙন শুরু হয়েছে।নিজেদের ইজারাদারকে সতর্ক করেও নিয়মের মধ্য রাখা যায়নি।ফলে গত সোমবার বালু উত্তোলন কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে,ইজারাদার নিয়ম ভেঙে অনুমোদনের অতিরিক্ত বালু উত্তোলন করেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে নদীপারের কয়েকশ পরিবার ও বিভিন্ন শিল্প কারখানা।মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকা ঘেঁষে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা মোহনা-সংলগ্ন নদীর দুই পারে এই ভাঙন দেখা দিয়েছে।প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে।স্থানীয়রা জানান, ৮ থেকে ১০ দিন আগে ভাঙন শুরু হয়।ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদ করলেও প্রতিকার মিলছিল না।বিষয়টি নজরে এলে বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ বন্দর কার্যালয় কর্তৃপক্ষ সোমবার এক চিঠিতে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ড্রেজিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।গতকাল মঙ্গলবার থেকে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনায় ড্রেজিং করে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে।গত ২৭ এপ্রিল টেন্ডারের মাধ্যমে ৪১ লাখ ৮১ হাজার ২৫০ ঘনফুট মাটি-বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা দেয় বিআইডব্লিউটিএ।প্রায় এক কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন শহিদুল ইসলাম। ৯০ দিনের মধ্যে এই বালু অপসারণ করতে ২৯ জুন থেকে ড্রেজিং শুরু হয়।তবে অপরিকল্পিত ও টেন্ডারের নির্দেশনা অমান্য করে বেশি ড্রেজার মেশিন দিয়ে ড্রেজিং করার নদীর পারে ভাঙন দেখা দেয়।নদী তীরের বাসিন্দারা জানান, বিআইডব্লিউটিএর শর্তের কোনো তোয়াক্কা করছে না ইজারাদার।প্রতিদিন ১০টি ড্রেজার কাজ করার কথা থাকলেও কার্যত ২০ থেকে ২৫টি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়।দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করার শর্ত থাকলেও তা উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত বালু তোলা হয়।২০ দিনেই লক্ষ্যমাত্রার পুরো বালু তুলে ফেলেছে-এমন অভিযোগ করে পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দারা ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।মিরেশ্বর এলাকার বাসিন্দা আল আমিন বুলবুল বলেন,পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার মিরেশ্বর মৌজায় তাদের জমি রয়েছে।সেখানে নদীর তীর ভাঙছে।তিনি বলেন, গুঞ্জন আছে,কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে এই ইজারা নেওয়া হয়।বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, ‘নদীর ভরাট করা স্থান অপসারণে ইজারাদার নিয়োগ করা হয়েছে।তবে শর্ত ভঙ্গ করায় এবং নদীতে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ইজারাদারকে প্রথমে সতর্ক করা হয়।দ্বিতীয় পর্যায়ে গত সোমবার বালু উত্তোলন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।তিনি বলেন,দু-এক দিনের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট শাখা নদীর তলদেশে হাইড্রোলিক জরিপ কাজ শুরু করবে।জরিপের রিপোর্ট পাওয়ার পর ড্রেজিং চালানো হবে নাকি বন্ধ করা হবে তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়।তিনি ফোন ধরেননি।স্থানীয়রা জানান,
শহিদুল ইসলাম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

