হৃদয় শীল,পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালী গ্রামে কিশোরী উর্মি আক্তার (১৫) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা, বাবা ও ভগ্নিপতি এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রায় সাত-আট মাস আগে উর্মি আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার ইন্দ্রকুল গ্রামের এইচ এম ফিরোজ হাওলাদারের (৪০) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উর্মি তাকে বিয়ে করতে চাইলে মা, বাবা, বোন ও ভগ্নিপতি তাতে রাজি হননি। পরিবারের বাধা সত্ত্বেও উর্মি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
গত ২২ আগস্ট রাত প্রায় ১টার দিকে বিয়ের প্রসঙ্গে মা-বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উর্মির মা আমেনা বেগম (৪০), বাবা নজরুল বয়াতী (৪৫) এবং ভগ্নিপতি কামাল হোসেন (৩২) মিলে তাকে হত্যা করেন। পরে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সুইচগেট সংলগ্ন খালে ফেলে রাখা হয়।
২৩ আগস্ট সকালে স্থানীয়রা খাল থেকে উর্মির লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত চলছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান বাউফল থানা পুলিশ।

