swadhinshomoy
15th Oct 2025 3:07 pm | অনলাইন সংস্করণ Print
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের তিন দফা দাবির অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ। বাড়িভাড়া ভাতা ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা এবং উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ প্রদানের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন।
১৫ অক্টোবর, বুধবার সকাল ১১টায় নাগেশ্বরী উপজেলা মুক্তমঞ্চে সম্মিলিত শিক্ষক কর্মচারী জোট, নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার আয়োজনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষক সমিতির অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামসুদ্দিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোহরাব হোসেন, কলেজ শিক্ষক সমিতির নেতা অধ্যাপক (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।
এ সময় বিক্ষোভ সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী–ভূরুঙ্গামারী) আসনের বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী তরুণ ড্যাব নেতা ডা. ইউনুছ এবং একই আসনের অপর মনোনয়নপ্রত্যাশী, নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা।
বক্তৃতায় তারা বলেন, শিক্ষা ও শিক্ষকদের দাবি দাওয়া কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। দেশের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশে শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
নাগেশ্বরী কামিল (এমএ) মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামসুদ্দিন মিয়া বলেন, “শিক্ষক সমাজ দেশের মেরুদণ্ড, অথচ তাদের ন্যায্য দাবি বছরের পর বছর উপেক্ষিত হচ্ছে। সরকার যদি দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না করে, তাহলে আন্দোলন আরও কঠোর আকার ধারণ করবে।”
অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম খান বলেন, “চলমান তিন দফার আন্দোলন শীঘ্রই বাস্তবায়ন না হলে, বর্তমান শ্রেণি বর্জন কর্মসূচি শিগগিরই বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে ‘এক দফা আন্দোলনে’ রূপ নেবে। তাই শিক্ষাবান্ধব সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করুন—শিক্ষা বাঁচান, শিক্ষক বাঁচান।”
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা শিক্ষা খাতে বৈষম্য দূর করা, শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের পার্থক্য কমিয়ে আনার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ শেষে শিক্ষক-কর্মচারীরা উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মুক্তমঞ্চে ফিরে কর্মসূচি শেষ করেন।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

