• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • প্রভাষক নিয়োগে বাধ্যতামুলক দাখিল ও আলিম শর্ত বাতিল চেয়ে রাবিতে ফের মানববন্ধন 

     swadhinshomoy 
    09th Apr 2026 5:41 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আল মমিন সরকার নাইম
    রাবি প্রতিনিধি :

    বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা জনবল কাঠামো ও এমওপি নীতিমালায় স্বীকৃত বিশ্বিবদ্যালয়ের আরবী বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রভাষক নিয়োগ পদে দাখিল ও আলীম বাধ্যতামুলক যোগকরা শর্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবী বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

    ৯ এপ্রিল( বৃহস্পতিবার) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এনটিআরসির কাছে আরোপিত শর্ত বাতিলের দাবিতে জোর আবেদন জানান।

    আরবী বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা এখানে ৫ বছর আরবীতে অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করতেছি, তারপরও কেনো আমরা শুধু অনার্স দিয়ে প্রভাষক হতে পারবো না। ইসলামিক স্টাডিজ থেকে আরবী বিভাগে প্রভাষক পদে আসতে পারবে কিন্তু আরবী বিভাগ থেকে কেনো ইসলামিক স্টাডিজ পদে প্রভাষক পদে যাইতে পারবে না। আমরা অতিদ্রুত এই বৈষম্যমুলক পদ্ধতির অবসান চাই। পাশাপাশি প্রভাষক পদে যে দাখিল ও আলীম শর্ত দিয়েছে এনটিআরসি, আমরা তার বাতিল চাই।

    ২০১৮- ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হানজালা বলেন, আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি এনটিআরসির প্রণীত বৈষম্যমূলক ও অযৌক্তিক নীতিমালার প্রতিবাদ জানাতে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রণীত এই নীতিমালার মাধ্যমে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সুযোগ সংকুচিত করা হয়েছে। আগের নীতিমালায় আরবিতে অনার্স করলেই প্রভাষক ও সহকারী মৌলভী পদে আবেদন করার সুযোগ ছিল। কিন্তু নতুন নীতিমালায় দাখিল ও আলিম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দাখিল-আলিম ছাড়াও শিক্ষার্থীরা আরবি বিভাগে পড়াশোনা করছে এবং সংশ্লিষ্ট খাতে অবদান রাখার লক্ষ্যে ভর্তি হচ্ছে। কিন্তু পড়াশোনা শেষে তারা দেখছে তাদের সুযোগ সীমিত করে দেওয়া হচ্ছে এটি স্পষ্ট বৈষম্য।

    তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, আরবি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের একমাত্র শর্ত হতে হবে আরবিতে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি
    দাখিল-আলিমের বৈষম্যমূলক শর্ত আমরা মানি না এবং এই নীতিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এছাড়াও, ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের আরবি বিভাগের প্রভাষক পদে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়, কারণ দুই বিভাগের শিক্ষা কাঠামো ভিন্ন। যদি এ সুযোগ রাখা হয়, তবে তা উভয় বিভাগের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য করতে হবে।

    আরবী বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান বলেন, আজকের এই প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—এনটিআরসির নীতিমালা অবিলম্বে পরিবর্তন করে পূর্বের ন্যায় আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সকল বিষয়ে প্রভাষক হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি বলেন, একইসঙ্গে এবতেদায়ি ও দাখিল পর্যায়ে মৌলভী পদে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের সকল বিষয়ে আবেদন করার সুযোগ দিতে হবে এবং যারা পরিকল্পিতভাবে এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে জড়িত, তাদেরকে অবিলম্বে বোর্ড সদস্য পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এ ধরনের বৈষম্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আরবি
    বিভাগের শিক্ষার্থীদের এভাবে বঞ্চিত করা ন্যায়সংগত হতে পারে না।

    তিনি আরও বলেন, এনটিআরসিকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সহকারী মৌলভী ও প্রভাষক পদে মাদ্রাসার সকল ক্যাটাগরিতে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি আমাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবেন

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারী একই দাবিতে মানববন্ধন করে আরবী বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930