আবু বকর সিদ্দিক:- মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন।বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার যশলদিয়া গ্রামের শিমুলতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন-মো:সোবহান (৩৫),মো:সোহাগ (৩২),শারমিন আক্তার (২৩) ও মো:শরিফ (২৬)।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।আহত সোহাগ জানান,তারা বাড়িতে অবস্থানকালে একদল লোক অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এ সময় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেওয়ার কথাও জানান ভুক্তভোগীরা।ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদের জখম করা হয় বলেও অভিযোগ উঠে।অন্যদিকে মো:শরিফ দাবি করেন,একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।বিচারাধীন বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর জেরে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি।পরবর্তীতে প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ তার।ভুক্তভোগীদের পরিবারের এক সদস্য জানান,প্রায় ৫০ হাজার টাকা ও তিনটি স্বর্ণের চেইন লুট করা হয়েছে।তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে বড় ধরনের ভাঙচুরের স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি।ঘরের টিনের বেড়ায় ইটের আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখা গেছে।
এছাড়া একটি ফ্রিজে আঘাতের দাগ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে পাল্টা অভিযোগ করেছেন অপর পক্ষের আহত শরিফ শেখ।তিনি দাবি করেন,মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় তাদের ওপর হামলা করা হয়।বিকেলে বাজারে তর্কের একপর্যায়ে তাকে আঘাত করা হয় বলে জানান তিনি।অভিযুক্তরা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তারা অভিযোগের প্রমাণ দিতে না পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন,বাজারে হাতাহাতি হলেও বাড়িতে হামলা দেখেননি।অভিযুক্ত রাজু মোল্লা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।তিনি জানান,আহতদের হাসপাতালে নিতে তিনি ব্যস্ত ছিলেন।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

