মোঃ জাকি উল্লাহ, রায়গঞ্জ প্রতিনিধি:
ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে কৃষকদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সরিষা উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং চাষে আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে কৃষকদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের ক্ষিরতলা গ্রামে বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেড এর উদ্যোগে সকাল ১০টায় এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত উঠান বৈঠকে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেড এর ফিল্ড অফিসার মোঃ শাহাদাত হোসেন সোহাগ, পরিবেশক শফিকুল ইসলাম ঝন্টু।
প্রশিক্ষক শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এই প্রশিক্ষণ হলো কৃষকদের সরিষা চাষের আধুনিক পদ্ধতি, উচ্চ ফলনশীল জাত (যেমন বারি-১৪, ১৮, বিনা-৯, ১১), সার প্রয়োগ, বালাই ব্যবস্থাপনা, বীজ শোধন, সময়মতো বপন ও পরিচর্যার কৌশল, এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার (যেমন মোবাইল ক্রাশিং মেশিন) সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়, যার মূল লক্ষ্য কম খরচে ভালো ফলন নিশ্চিত করে সরিষা উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটানো।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়: আধুনিক জাতের পরিচিতি: বারি-১৪, ১৮, ২০, বিনা-৯, ১১ ইত্যাদি জাতের সুবিধা ও ব্যবহার।
সময়োপযোগী বপন: আমন ধান কাটার পর সরিষা চাষের উপযুক্ত সময় (অক্টোবর-নভেম্বর) এবং আগাম বপনের সুবিধা (পোকার আক্রমণ কম হয়)।
বীজ শোধন: ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধনের গুরুত্ব (আল্টারনারিয়া ব্লাইট রোগ প্রতিরোধে)।
সার ব্যবস্থাপনা: শেষ চাষে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, বোরন সার প্রয়োগের সঠিক মাত্রা এবং ফুল আসার আগে ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ।
পরিচর্যা: চারা পাতলাকরণ (১৫-২০ দিন পর), আগাছা দমন (বিশেষ করে বথুয়া), সেচ প্রদান।
বালাই ও রোগ ব্যবস্থাপনা: জাব পোকা বা অন্যান্য পোকার আক্রমণ হলে করণীয় (যেমন ম্যালাথিয়ন/সুমিথিয়ন স্প্রে) এবং পরজীবী (অরোবাংকি) দমন পদ্ধতি।

