নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার টেংরামারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান দায়িত্ব পালন কারি শিক্ষক রিজাউলের নির্দেশে দুপুর ১টার মধ্যে সকল শিক্ষক স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমান ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ রিজাউল তার নির্দেশে দুপুর ১টার মধ্যে স্কুল বন্ধ করে সকল শিক্ষক চলে যায়।
সাংবাদিকদের ফোন করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন টেংরামারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১টার সময় স্কুল বন্ধ করে সবাই চলে গেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় টেংরামারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেউ নেই স্কুল বন্ধ আশপাশে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ১টার সময় স্কুল বন্ধ করে শিক্ষকদের চলে যেতে দেখেছেন, স্কুলের আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তি বলেন আপনারা তো নিজেরাই দেখছেন স্কুল বন্ধের বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা দেখেছি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ১টার দিকে স্কুল থেকে চলে যাচ্ছে কি কারণে স্কুল ছুটি দিয়েছে সেই বিষয় বলতে পারছি না তবে স্কুল বন্ধ করে শিক্ষকদের চলে যেতে দেখেছি।
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ রিজাউল তার কাছে স্কুল বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি স্কুলের একটা কাজে চলে আসছি বাহিরে স্কুল থেকে আসার সময় শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছি স্কুল বন্ধ করে সবাইকে চলে যেতে, আমি আসার পর শিক্ষকরা ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে সবাই চলে গেছেন। তিনি আরো বলেন আমি নিজের ইচ্ছায় স্কুল বন্ধ করতে বলেছি এই বিষয়ে কোনো কর্মকর্তাকে জানায়নি এবং জানাতেও মনে করি নাই। তিনি বলেন এক দিন স্কুল আগে বন্ধ করেছি তাতে কি হয়েছে এক দিন স্কুল আগে বন্ধ করলে কিছু হয় না। এই কথা বলে
মোঃ রেজাউল সাংবাদিকদের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে নিষেধ করেন এবং সাংবাদিকদের কিছু টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন, সাংবাদিকরা যখন টাকা নিতে রাজি হয় নাই তখন এলাকার কয়েকজন কে, দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে নিষেধ করিয়েছেন। একজন শিক্ষক সাংবাদিকদের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে নিষেধ করেন এবং টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন,যা আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।
মনিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোন কারণ ছাড়া স্কুল ৩ ঘন্টা আগে বন্ধ করতে পারেন কিনা তিনি বলেন না এই ধরনের কোন নিয়ম নেই, তিনি সাংবাদিকদের বলেন আপনারা নিউজ করে আমাকে দিন আমি বিষয়টি দেখছি। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন নিয়ম সবার জন্য সমান কেউ নিয়ম ছাড়া কোন কারণ ছাড়া স্কুল বন্ধ করতে পারেন না। জেলা কর্মকর্তাকে বলা হয় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক রিজাউল সাংবাদিকদের প্রতিবেদন প্রকাশ যাতে না হয় তার জন্য তিনি সাংবাদিকদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তিনি বলেন এইটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা বিষয়টি আমি নট করে রাখছি, বিষয়টি নিয়ে কথা বলে দেখছি।

