মোঃ মোকলেছুর রহমান বাবু
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
যোগ্য নেতৃত্বের প্রতীক ধানের শীষ; নীলফামারীর জন্য আশাবাদের নাম ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। নীলফামারী–২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা।
দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তাঁকে ঘিরে দেখা গেছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয়দের মতে, সৎ, যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতীক ধানের শীষ এবং সেই প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন নীলফামারীবাসীর জন্য এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়।
উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাতো ভাই। দলীয় সূত্র জানায়, তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা নীলফামারীর সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে সাধারণ ভোটারদের বিশ্বাস।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলে নীলফামারীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিনের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন, শিক্ষা নগরী ও শিল্প নগরী গড়ে তোলার মাধ্যমে নীলফামারীকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জেলায় রূপান্তরের অঙ্গীকার উঠে আসে তাঁদের বক্তব্যে।
নেতৃবৃন্দ আরও জানান, ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে নীলফামারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সে ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন নীলফামারীর উন্নয়নের “মূল চাবিকাঠি” হিসেবে কাজ করবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নের সমন্বয়ে নীলফামারীকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য জেলায় রূপান্তর করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। অনেকেই ভবিষ্যতে নীলফামারীকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জেলার মডেল হিসেবে—‘সেকেন্ড সিঙ্গাপুর’—হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাও উল্লেখ করেন।
সব মিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী–২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আশাবাদ বিরাজ করছে।

