• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • যশোরের শার্শা উপজেলার এলাকায় ভেজাল গুড় তৈরি 

     swadhinshomoy 
    01st Mar 2026 2:22 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    অনুসন্ধানের প্রথম পর্ব

    যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ঘোষপাড়া গ্রামে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে অনেক ধরে অবৈধ ভেজাল গুড় তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ আলী ও মশিয়ারের বিরুদ্ধে।

    এই অবৈধ গুড়ের কারখানার মালিকরা এলাকার প্রভাব খাটিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে সাধারণ মানুষের খতি করছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

    শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকায় দিনের পর দিন নকল গুড় তৈরি করছেন, মোহাম্মদ আলী ও মশিয়ার নামের দুই ব্যাবসায়ী। এলাকাবাসী জানায় এই দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে দাপটের সাথে ভেজাল গুড়ের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বলেন এই অবৈধ গুড়ের কারখানা অনেক দিন ধরে চালিয়ে আসছে, প্রশাসনকে কিছু দিন আগে অভিযান করতে দেখা যায়, কিন্তু তার কিছু দিন যেতে না যেতেই আবার ভেজাল গুড় তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করে চলেছেন।

    এই দুই ভাই এলাকার ক্ষমতা দেখিয়ে দাপটের সাথে ভেজাল গুড়ের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দুই ভাইয়ের বাগআচড়া বাজারে গুড়ের দোকান ও রয়েছে।

    শীতের সময় নকল খেজুরের গুড় তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করতে দেখা গেছে। আর বর্তমান রমজান মাসে ভেজাল আখের গুড় তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করতে দেখা গেছে।

    এলাকাবাসী বলেন আমরা ভেজাল গুড় তৈরি করতে বাধা দিয়েছি কিন্তু এই দুই ভাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে দিনের পর দিন ভেজাল গুড়ের কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এলাকা থেকে কেউ কিছু বলতে গেলে দুই ভাই বলে আমাদের কারখানা চলছে আর চলবে তোমরা কেউ কিছু করতে পারলে করে দিও।

    প্রশাসন সূত্র জানায় অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন এলাকায় আসল খেজুরের গুড়ের নামে নকল খেজুরের গুড় ও আখের গুড় তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন আগেও অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে, তাদের বলা হয়েছিল আর কোনো ভেজাল গুড় তৈরি করতে পারবেন না।

    অনুসন্ধানের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে,চিনি এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে পবিত্র রমজান মাসেও তারা ভেজাল গুড় তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে চলেছেন।

    প্রশাসন সূত্র জানায় জরিমানা করার পরেও যদি ভেজাল গুড় তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করে থাকে এবং বাজারে দোকানে বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    অবৈধ গুড়ের কারখানার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনর তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে, যতো দিন প্রশাসন এই কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করবেন তত দিন প্রতিবেদন চলমান থাকবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    March 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031