হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায় মার্কেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের উত্তেজনা সৃষ্টি, মিরপুর-ধুলিয়াখাল সড়কে শ্যামল চন্দ্র দেবের নির্মাণাধীন মার্কেটের কাজে, আইন-শৃঙ্খলার অজুহাত দেখিয়ে প্রতি পক্ষের লোকজন মার্কেট নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ করে দেয়। হবিগজ্ঞ থেকে সহকর্মী ইলিয়াস আলী মাসুক এর পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রে আরো জানাচ্ছেন বিস্তারিত——-
ডেক্সরির্পোট
জানাযায় প্রতিপক্ষের ভুমিলালসার পায়তারায় মরিয়া হয়েউঠে শ্যমল বাবুর উপর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মটররের পাইভ দিয়ে পানি নিক্ষেপ করে নির্মাণাধীন কাজে বাধা সৃষ্টি ও ক্ষতিসাধন করা হয়। বাহুবল থানা থেকে একদল পুলিশ এনে ভুল বুঝিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
এবিষয়টি নিয়ে বিগত কয়েকদিন যাবত দফায় দফায় এলাকার গন্যমান্য ও জন প্রতিনিধিদের সমাধান করার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগীর দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ভক্সপপ- শ্যামল বাবু।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে বাহুবল থানার এস আই মামুন ঘটনাস্থলে পৌচে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে তিনি জানান।
সট: মামুন এস আই।
এদিকে ভুক্তভোগী শ্যামল বাবু নিরুপায় হয়ে সেনাবাহিনীর শরণাপন্ন হয়, সেনাবাহিনী উভয় পক্ষকে ক্যাম্পে ডেকে নিয়ে কাগজ পত্র দেখে বিষয়টি সমাধান করেন এবং প্রতিপক্ষ কাজে বাধা দেওয়ায় যে আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে তা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়ে সমাধান করেদেন।
সিংক- সেনা বাহীনি।
সেনাবাহিনীর মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শ্যামল চন্দ্র দেবের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সমাধা করে দেয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ, এলাকার সাধারণ ও জন প্রতিনিধিসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিষয়টি সমাধানে নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে এলাখার সচেতন মহলের দাবি, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কোনো বৈধ নির্মাণ কাজে কেহ অহেতুক বাধার সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের কটুর ভূমিকা গ্রহনের প্রয়োজন বলে মনে করেন স্হানীয় সচেতন মহল।

