তথ্য ও চিত্রঃ সোহেল খান দূর্জয় , নেত্রকোণা।
লিংকঃ নেত্রকোণার তিলক-খালী খাল, এক সময় জেলার মানুষের কৃষিকাজ, মাছ আহরণ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খালটির তেমন কোনো সংস্কার না হওয়ায় তা আজ প্রায় নিশ্চিহ্ন। খালের সেচ ব্যবস্থার অভাবে কৃষকদের ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ, আর দেশীয় প্রজাতির মাছও অনেক কমে গেছে। তাই খালটির সংস্কার দাবি জনসাধারণের। দ্রুত খালটি খননের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নেত্রকোণা থেকে সুশীল আচার্য্যর তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।
প্যাকেজঃ নেত্রকোণা একটি কৃষিপ্রধান জেলা। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে ‘মাটি ও মানুষ’ নীতির আওতায় দেশ ব্যাপী খাল খননের উদ্যোগ নেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এরই অংশ হিসেবে ১৯৭৯ সালে খনন কাজ তদারকি করতে তিনি দুইবার আসেন নেত্রকোণায়। নিজ হাতে কোদাল ও টুপি পরে তিলক-খালী খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। খালটি খনন করায় নেত্রকোণা সদর উপজেলার ভদ্রপাড়া, মেদনী, কৃষ্ণপুর, রামপুর, বালুয়াখালীসহ বিভিন্ন গ্রামের বিস্তির্ণ জমি সেচের অভাব, জলাবদ্ধতা ও খরার কারণে অনাবাদি থাকা জমিতে আবাদের সম্ভাবনা তৈরী হওয়ায় তাঁর এই উদ্যোগে সর্বস্তরের মানুষ কৃষক, ছাত্র, গায়ক ও সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ভক্সপপঃ ১,২,৩
আজ সেই খালটি সংস্কারের অভাবে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তিলক-খালী এখন শুধুই একটি নাম। তাই খালটি সংস্কারের দাবি জনসাধারণের।
ভক্সপপঃ ৪,৫,৬
৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটিকে পুনঃখননের আওতায় নিতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।
সটঃ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, নেত্রকোণা।
পে-অপঃ অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালটির পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষাসহ পুনরায় সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু হবে এমনটাই প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

