• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • নীলফামারী ভবানীগঞ্জ হাটে পেঁয়াজ-রসুনের অতিরিক্ত টোল আদায় 

     swadhinshomoy 
    25th Apr 2026 5:43 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    নীলফামারী প্রতিনিধি: মোঃ মোকলেছুর রহমান বাবু
    নীলফামারী সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ বাজারে মৌসুমি পেঁয়াজ ও রসুন উঠতে শুরু করেছে। চলতি দরে বিক্রি হলে কৃষকেরা অন্তত উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন, কিছু ক্ষেত্রে সামান্য লাভের সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। তবে এই স্বস্তি ম্লান করে দিচ্ছে বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ।
    বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ও রসুন ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য, এ দামে খরচ উঠে আসা সম্ভব হলেও টোলের অতিরিক্ত চাপ তাদের লাভের সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, রসুনে প্রতি মণ ৪০ থেকে ৫০টাকা এবং পেঁয়াজে ৩০ থেকে ৪০টাকা পর্যন্ত টোল নেওয়া হচ্ছে, যা জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত ১৫ টাকার দ্বিগুণেরও বেশি।
    কৃষকদের অভিযোগ, সরকার একদিকে মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে বীজ, সার ও অন্যান্য প্রণোদনা দিচ্ছে, অন্যদিকে বাজার ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণের অভাবে সেই উদ্যোগের সুফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না। উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্যমূল্য ও স্বচ্ছ বিপণন ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
    খানসামা উপজেলা থেকে আসা কৃষক আবুল হোসেন বলেন, এই দামে বিক্রি করলে খরচটা উঠে আসে, কিন্তু টোল আর অন্যান্য খরচ মিটিয়ে হাতে তেমন কিছু থাকে না। উৎপাদনের সময় যেমন চাপ, বিক্রির সময়ও তেমন চাপ। হাটে আসা স্থানীয় আরও কৃষকেরা জানান, বিঘাপ্রতি পেঁয়াজ-রসুন চাষে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। সার ও কীটনাশকের উচ্চমূল্য, ডিজেল সংকট এবং নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণে উৎপাদন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার ওপর বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায় তাদের জন্য নতুন করে আর্থিক চাপ তৈরি করছে।
    হাট ইজারাদার বাবুল খান বলেন, আমরা নির্ধারিত হারের মধ্যেই টোল নিচ্ছি। তবে কিছু অসাধু পাইকার কৃষকদের কাছ থেকে বেশি নিচ্ছে বলে শুনেছি। তিনি জানান, উচ্চমূল্যে হাট ইজারা নেওয়া এবং কর-ভ্যাটের চাপের কারণে তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ বলেন, পেঁয়াজ ও রসুনের উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছর কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, যাতে আমদানি নির্ভরতা কমে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ্ বলেন, মণপ্রতি ১৫ টাকার বেশি টোল নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বর্তমান দরে বিক্রির ফলে উৎপাদন খরচ উঠে আসার একটি সম্ভাবনা তৈরি হলেও অতিরিক্ত টোল আদায় সেই সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকার যখন কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত করছে, তখন বাজার পর্যায়ে এই ধরনের অনিয়ম সেই প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় টোল ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকর তদারকি এখন সময়ের দাবি

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930