রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:
মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার সদরে অবস্থিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত আছে নিয়োগ জটিলতা,ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা, এবং ক্ষমতাকে আকড়ে ধরার প্রবণতা সব মিলিয়ে হযবরল অবস্থা।
জানা যায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারি মাধ্যমিক ১ শাখা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত স্বারক নং শিম/শা১১/৩-৯/২০১১/ ২৫৬, তারিখ ৬/৬/২০১১ পরিপত্র মোতাবেক গত ১৩/০২/২০২৩ ইং তারিখে মোঃ মিজানুর রহমান, উপসচিব এর স্বাক্ষরিত পত্র মোতাবেক বিষয়টি শুষ্পষ্ট যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর দ্বায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে বলা আছে যে, মামলা, মহামারী অন্য কোন কারণে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া সম্ভব না হলে, নিয়োগ কালীন সময়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ৬ মাসের বেশী দ্বায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। ৬ মাস অতিবাহিত হলে তিনি জৈষ্ঠতম ৩ জনের মধ্যে হতে এক জনকে দ্বায়িত্ব দিয়ে দ্বায়িত্ব হতে সরে যাবেন তিনি ও ৬ মাসের মধ্যে নিয়োগ কার্য সমাধান না করতে পারলে তিনি ও সরে যাবেন এভাবেই নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ৬ মাস পর পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দ্বায়িত্ব পালন করবেন যা এমপিও নীতিমালা ২০১১এর ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জৈষ্ঠতম শিক্ষক কে নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু দেখা যায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কমিটি অথবা সভাপতি কে ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন দ্বায়িত্ব পালন এবং নিজে প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরী করার জন্য চেষ্টা করছেন। তিনি দ্বায়িত্ব পালনকে লাভ জনক হিসেবে দেখেন বলেই তিনি সরে যাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজৈর মাদারীপুর এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন মহামান্য হাইকোর্টে একটি মামলা চলমান আছে তাই এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
রাধা রানী কুন্ডু কোন অদৃশ্য শক্তি বলে কার ছত্রছায়ায় তিনি পরিপত্র কে বৃধাঙ্গলী দেখিয়ে দ্বায়িত্ব হতে সরে না গিয়ে বহাল তরিয়তে দ্বায়িত্ব পালন করেন। তাহলে কি আমরা ধরে নিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজৈর মাদারীপুর এর ইন্ধনে ধরাকে সরাজ্ঞান করছেন না।

