শামছুর রহমান যশোর প্রতিনিধি:
এম ইকবাল হোসেনের মনোনয়ন পুনঃ বহালের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আজো ২৮ ডিসেম্বর রাজপথ দখলে রেখেছে ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনের বিএনপির কর্মীরা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি দ্বিতীয় ধাপে এম ইকবাল হোসেনকে এ আসনের বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করেন। স্থানীয় দলীয় ভেদাভেদ ভুলে বিএনপির সকলে দ্বিধাবিভক্ত ভুলে এম ইকবালের পক্ষে মাঠে নামে। ২৪ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় বিএনপি এ আসনের প্রার্থী পরিবর্তন করে জোট প্রার্থী নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব রশিদ আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেন। এ ঘোষণায় মনিরামপুর বিএনপির নেতা কর্মীদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। হেভিওয়েট নেতারা মাঠে না নামলেও কর্মীরা মাঠে নামে এম ইকবাল হোসেনের মনোনয়ন পুনঃ বহালের দাবিতে। এম ইকবাল হোসেন মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি আওয়ামী সরকারের আমলে তিনি রাস্তায় ছিলেন স্বক্রিয়। তিনি নির্যাতিত ও প্রায় এক শত মামলার আসামি হয়ে ফেরারি জীবন যাপন করেছেন।
অন্য দিকে আওয়ামী সরকারের আমলে রশিদ আহমদকে মাঠে দেখা যায়নি। ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি গুহা থেকে বের হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া শুরু করেন। মনিরামপুর তাঁর ভোট ব্যাংক না থাকায় লবিং শুরু করেন ঢাকায়। সফলতা পেয়ে যান ২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর। দলের নিবন্ধন ও প্রতিক না থাকায় ২৭ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে ধানের শীষ প্রতীক উপহার দেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি তিনি বিএনপির সদস্য ফরম পূরণ করে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন।
মনিরামপুর বিএনপির সাধারণ কর্মীরা তাকে মেনে নিতে পারেনি। তাঁরা মাঠে নামে আন্দোলনে। ২৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন এখনো অব্যাহত রয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর ১ পৌর সভা ও ১৭ ইউনিয়নের বিএনপি কর্মীরা কাফনের কাপড় পড়ে চিড়া মুড়ি নিয়ে যশোর সাতক্ষীরা সড়কের মনিরামপুর সদর বাজারের রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মীরা মনোনয়ন পুনঃ বহাল না করা পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।
নির্ভর যোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে ২৯ ডিসেম্বর এম ইকবাল হোসেন মনোনয়ন ফরম জমা দিবেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দফতরে।

