• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • পীরগঞ্জে ৫ যুগ পর লৌহ খনি অনুসন্ধানে কূপ খননের উদ্বোধন 

     swadhinshomoy 
    02nd Feb 2026 4:23 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
    রংপুরের পীরগঞ্জের ১০ নং শানেরহাট ইউনিয়নের ভেলামারী পাথারে দীর্ঘ ০৫ যূগ পর খনি অনুসন্ধান করে
    আবারও কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায়
    উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের ছোটপাহাড়পুর গ্রামের ভেলামারী পাথারে
    লৌহ খনির অনুসন্ধান কাজের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ
    সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এ সময় তিনি
    বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ উদার, যে কারনে সৃষ্টি কর্তা এই এলাকায়
    মাটির নিচে খনিজ সম্পদ দিয়েছেন। এখানে যে খনিজ সম্পদ পাওয়াযাবে তা উত্তোলনে সহায়তা করবে সরকার। তিনি আরও বলেন, এটি কোন
    সাধারন বিষয় নয়, এটি জাতির স্বপ্ন।
    বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত কূপ খননকাজ
    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের
    মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, উপ-মহাপরিচালক আলী আকবর। এ সময়
    উপস্থিত ছিলেন,পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক
    (এমডি) মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
    জনাব পপি খাতুন ও শানেরহাট ইউ,পি চেয়ারম্যান মেছবাহুর রহমান।
    সংশ্লিষ্ট সূএে জানা গেছে, বিগত ১৯৬৫ সালে উপজেলার শানেরহাট ও মিঠিপুর
    ইউনিয়নের ভেলামারী পাথারে প্রথম লৌহ খনির প্রাথমিক সন্ধান পেয়েছিল
    তৎকালীন (পাকিস্থান) সরকারের খনিজ সম্পদ বিভাগ। ওই সময়ে খনি চিহ্নিত
    করতে কূপ খনন করে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে রাখা হয় অনুসন্ধান করা চারটি
    কূপের মুখ। যা আজও দৃশ্যমান। ১৯৬৫ সালের ০৬ সেপ্টেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধের
    পরপরই তৎকালীন সরকারের খনিজ সম্পদ বিভাগের একদল কর্মকর্তা
    স্যাটেলাইটের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য চিত্র অনুযায়ী একটি বিমান ও গাড়িবহর
    নিয়ে প্রায় ছয় বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই বিশাল মাঠে আসেন।
    সে সময়ের খনিজ বিজ্ঞানীরা এখানে লৌহ খনির উৎস হিসেবে নিশ্চিত
    হয়ে ভেলামারী পাথারে খনির মুখে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে চিহ্নিত করে
    এলাকার প্রাথমিক জরিপ কাজ সম্পন্ন করে।
    ভূতাত্ত্বিক খনন কূপ জিডিএইচ-৭৯/২৫ নামে খনি অনুসন্ধান কাজের
    উদ্বোধন শেষে জিএসবির উপ-মহাপরিচালক প্রকৌশলী আকবর আলী
    সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৬৬ সালে এখানে খনন করা হয়েছিল। এটাকে
    ইডিএস-১৫ বলে, আমরা সেখানে কিছু তথ্য পেয়েছি। স্বাধীনতার পর
    ২০০০ সালে জিডিএইচ-৫৪ নামে একটা কূপ খনন করে ভূগর্ভের অবস্থা
    জানার জন্য সার্ভে করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালেও মিঠিপুর ইউপি’র
    কাশিমপুর গ্রামে ৭৮/২৩ নামে অপর একটি কূপ খনন করা হয়। সেখানেও
    আমরা কিছু খনিজ সম্পদের উপাদান ২’শ মিটার খনন করবো। এসব খনিজ সম্পদ উত্তোলন করা হবে কি না,এমন
    প্রশ্নে তিনি সাংবাদিকদের জানান, রিসোর্স কনফার্ম করার পর যদি
    জানা যায়, এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্পদ আছে, যা ব্যায়ের চেয়ে আয়
    বেশি হয়। খনিজ সম্পদ আহরোন করে যদি লাভ হয় তাহলে আমরা সরকারকে
    খনি থেকে উত্তোলন করতে অনুরোধ করব।
    এখানে কী ধরনের খনিজ সম্পদ থাকতে পাওে ? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি
    বলেন, এখানকার বেজমেন্ট হাই সুতরাং এখানে ধাতব খনিজ পদার্থ যেমন
    লোহা, তামা, নিকেল, ম্যাঙ্গানিজ এমনকি স্বর্ণের খনি ও থাকতে পারে

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728