• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • তেলের কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে, অনৈতিক ব্যবসায়ীদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে 

     swadhinshomoy 
    25th Apr 2026 5:16 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ঠাকুরগাওয়ে মির্জা ফখরুল

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ স্থানীয় সরকার,পর্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচীব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,হঠাৎ করে একটা দূর্যোগ দেখা দিয়েছে। ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধ। এ দূর্যোগের প্রভাবে আমাদের দেশের জ¦ালানী ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের দীর্ঘ লাইন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি, এটা অনেকটাই কৃত্তিম। দেশে তেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই, বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।

    মির্জা আলমগীর বলেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, তেলের সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে কৃত্রিমভাবে। কিছু অসাধু চক্র তেল মজুত করে কালোবাজারে বিক্রি করছে, যা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কৃষকরা সবসময়ই মার খায়। এবারো তারা আলুতে বিশাল মার খেয়েছে। তারা দাম পায়নি। তাদের উৎপাদন খরচটাও ওঠেনি। আমরা আমাদের এসব কৃষক ভাইদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই তাদের কৃষক কার্ড দেয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পন্য যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারে সেজন্য কৃষিভিত্তিক এলাকা গুলিতে আমরা কৃষিপন্য সংরক্ষণের জন্য কৃষি জোন ও কৃষি হীমাগার তৈরী করবো। কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচবো।

    তিনি আরও উøেল্লখ করেন, দেশের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    পরে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫শ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৩ হাজার টাকা এবং ৮০ পরিবারকে ৬ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৬০ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়। এছাড়া ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।
    এসময় মোট প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আরও রয়েছে ১৯৫টি মসজিদ, ৮৯টি মন্দির, ৫টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ এবং ১টি শ্মশান সহ মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদা দাদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খাযরুল আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930