swadhinshomoy
11th Aug 2025 7:51 am | অনলাইন সংস্করণ Print
মোঃ সিরাজুল মনির,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে নিত্য পণ্যের দাম। ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে সবকিছু। বিশেষ করে মাছ মাংস সবজি মসলা জাতীয় পণ্য ইত্যাদি। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম হতাশা। বেশ কিছুদিন ধরে নিত্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও হঠাৎ করে গত এক সপ্তাহর ব্যবধানে সব কিছুর দাম হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাজারগুলোতে ক্রেতা বিক্রেতার দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে বাক বিতন্ডা লেগেই আছে। প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় যেমন ইচ্ছে তেমন করে দাম হাকাচ্ছে বিক্রেতারা এ ধরনের অভিযোগ ক্রেতা সাধারনের।
চট্টগ্রাম মহানগরীর অধিকাংশ বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায় বরবটি কেজি ১০০ টাকা পটল ৮০ টাকা কাকরোল ১০০ টাকা মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা লাউ প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা টমেটো ১৮০ টাকা কেজি ধুন্দুল ৮০ টাকা। প্রায় প্রতিটি বাজারে পাল্লা দিয়ে সমানভাবে দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে বিক্রেতারা। সকল বিক্রেতা এক জায়গা থেকে পাইকারি তরকারি নিয়ে আসলেও বাজারে একেক জায়গায় একেক ধরনের মূল্য নিচ্ছে বিক্রেতারা। মাছের বাজারেও আগুন লেগে আছে প্রায় সব বাজারে দেশি রুই কাতলা এ জাতীয় মাছ গুলো ২০০ টাকার উপরে সাইজ বুঝে কেজি বিক্রি করতেছে। বিশেষ করে যে মাছগুলো এক কেজির উপরে রয়েছে সেগুলোর দাম হাঁকাচ্ছে ২৫৯ থেকে ৩০০ টাকা প্রতি কেজি। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ছোট সাইজের গুলো ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। অপরদিকে গরিবের ইলিশ খ্যাত পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। ডিমের বাজার কিছুদিন আগেও স্বস্তিতে থাকলে বর্তমানে দাম বেড়ে তার ডজনে ১৫০ টাকা ছুঁয়েছে। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজিতে ১৮০ টাকায়।
মসলার বাজার ও চালের বাজারে যেন আগুন লেগে গেছে। পাহাড়তলী চাউলের আড়তে গিয়ে দেখা যায় কেজিতে চালের দাম বেড়েছে ৩ টাকা যা খুচরা বাজারে এসে বেড়ে যায় ৫ টাকা। মসলা জাতীয় প্রতি পণ্য দাম বেড়েছে কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা করে। এখন বাজারে বলতে গেলে আলু ছাড়া সবকিছুর দাম অতিরিক্ত।
হঠাৎ করে সবকিছুর দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ায় জনগণের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হতে দেখা গেছে। ক্রেতা সাধারণের অভিমত অন্তবর্তী সরকার শুরু থেকেই দ্রব্যমূল্যের দাম নাগালের ভেতরে রাখার চেষ্টা করেও হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের দুর্বলতা মনে করতেছে ভুক্তভোগীরা। তবে ভুক্তভোগীরা বলেন সরকার একটু কঠোর হলেই দ্রব্যমূল্য সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা যাবে। তবে বিক্রেতারা বলেন এ বছর বৃষ্টিপাত বেশি হওয়াতে বিভিন্ন জায়গায় ফলন নষ্ট হয়ে যাওয়াতে এবং চাহিদা বেশি থাকায় কাচা সবজির দাম একটু বেশি।
কিন্তু বাজার পরিদর্শনে দেখা যায় কোন কিছুর সংকট নেই বাজারে শুধুমাত্র কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা অসাধু ভাবে দাম বৃদ্ধির পায় তারা চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বাজারে টাঙ্গানো হয় না কোন প্রকারের মূল্য তালিকা এতে যার যেমন ইচ্ছা তেমন করে দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনিক কোন নজরদারি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতা সাধারণের।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম দৈনিক স্বাধীন সময় পত্রিকাকে বলেন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ পেলে সাথে সাথে জরিমানা সহ বিভিন্ন প্রকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

