swadhinshomoy
13th Aug 2025 5:26 am | অনলাইন সংস্করণ Print
মোঃ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের শত শত একর জায়গা প্রভাবশালীরা বছরের পর বছর অবৈধ ভাবে দখল করে রাখলেও এসব জায়গা উদ্ধারে রেলওয়ের কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য জায়গা উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করলেও কার্যত তা কোন কাজে আসে না।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূ–সম্পত্তি বিভাগ থেকে জানা গেছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে মোট জমির পরিমাণ ২৪ হাজার ৪০১ একর। এরমধ্যে প্রায় ৫শ’ একর জায়গা বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালীরা অবৈধ ভাবে দখল করে তারা রাজত্ব করছেন দীর্ঘদিন ধরে। অবৈধ দখলদারদের দখলে থাকা রেলের এসব জমিতে বস্তির পাশাপাশি দোকান ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর ফলে বড় অঙ্কের রাজস্বও হারাচ্ছে সরকার। এছাড়াও রেললাইনের দুইপাশের একর একর জায়গা দখল করে ভাসমান বস্তি–দোকান গড়ে তোলার কারণে রেললাইনে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে। নির্মাণ করা এসব ভাসমান বস্তি এবং দোকানগুলোতে মাদকদ্রব্যের প্রধান আখড়া গড়ে তুলেছে অনেকেই। নির্মাণ করা কিছু কলোনি বা বস্তিতে মিনি পতিতালয় চালান অনেকে।
সরেজমিনে রেলের জায়গায় নির্মিত বস্তি এলাকাগুলো পরিদর্শন এবং একাধিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রেলের ভূ–সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা–কর্মচারী, রাজস্ব বিভাগ এবং আরএনবির কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে রেলের বিপুল পরিমাণ জমি অবৈধ দখলদাররা রাতারাতি দখল করে তাদের রাজত্ব গড়ে তুলেছে। আবার রেলের এ কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দখলেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ জায়গা। তারা সেখানে বস্তি ও দোকান করে ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। বিনিময়ে রেলওয়ে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখা থেকে রেলের জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উচ্ছেদের জন্য ১০ দিনের একটি সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছিল। অবৈধ দখলদারদেরকে নিজ উদ্যোগে রেলের জমি থেকে তাদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য ভাবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেয়া হয়েছিল। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সহকারী সচিব মো. আলী আব্বাস স্বাক্ষরিত এই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল গত ডিসেম্বরে।
কিন্তু কোনো অবৈধ দখলদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের অবৈধ স্থাপনা ছেড়ে দেয়নি এবং সরিয়ে নেয়নি তাদের অবৈধ স্থাপনা। এই সাড়ে ৪ মাসে রেলওয়ের ভূ–সম্পত্তি বিভাগ এখনো পর্যন্ত বড় বড় প্রভাবশালীদের দখলে থাকা রেলের কোনো জমি উদ্ধারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
সম্প্রতি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল থেকে দুুটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। একটি হালিশহর রেলওয়ে গুডস্ পোর্ট ইয়ার্ড সংলগ্ন এবং অপরটি সিআরবিসহ পুরাতন রেল স্টেশনে। এর বাইরে বড় ধরনের লাগাতার কোনো উচ্ছেদ অভিযান নেই। চট্টগ্রাম নগরীর বাইরেও বিভিন্ন স্টেশন এর আশেপাশে রেলের জায়গা দখল করে বাড়িঘর ও দোকান গৃহ নির্মাণ করেছে অনেকেই। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে না বললেই চলে।
জানা গেছে, প্রয়োজনীয় সাপোর্ট না পাওয়ায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রয়েছে। সরকারের অন্যান্য বিভাগ গুলো থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে যে কোন সময় জায়গা উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূ–সম্পত্তি বিভাগ সূত্রমতে, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে সিলেট জামালপুর, টাঙ্গাইল সেতুর পূর্বপাশ ও চাঁদপুর পর্যন্ত রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীন। এরমধ্যে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় ২২৫ একর জমি অবৈধ দখলদারদের হাতে। বাকি ২৭৫ একর জমি অন্যান্য জায়গায় বেদখলে আছে। চট্টগ্রাম জেলায় ২২৫ একর জমির মধ্যে ১২৫ একর জমি আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাকি ১০০ একর জায়গা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দখলে রেখেছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের বাইরে ২৬৭ একর জমির মধ্যে প্রায় দেড়শ একর জমি সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, বাকি জমি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দখলে রেখেছে। এসব জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া প্রয়োজন বলে জানান রেলওয়ের কর্মকর্তারা।
সরেজমিনে রেলের জায়গায় নির্মিত বস্তি এলাকাগুলো পরিদর্শন এবং একাধিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রেলের ভূ–সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা–কর্মচারী, রাজস্ব বিভাগ এবং আরএনবির কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে রেলের বিপুল পরিমাণ জমি অবৈধ দখলদাররা রাতারাতি দখল করে তাদের রাজত্ব গড়ে তুলেছে। আবার রেলের এ কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দখলেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ জায়গা। তারা সেখানে বস্তি ও দোকান করে ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। বিনিময়ে রেলওয়ে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখা থেকে রেলের জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উচ্ছেদের জন্য ১০ দিনের একটি সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছিল। অবৈধ দখলদারদেরকে নিজ উদ্যোগে রেলের জমি থেকে তাদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য ভাবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেয়া হয়েছিল। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখার সহকারী সচিব মো. আলী আব্বাস স্বাক্ষরিত এই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল গত ডিসেম্বরে।
কিন্তু কোনো অবৈধ দখলদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের অবৈধ স্থাপনা ছেড়ে দেয়নি এবং সরিয়ে নেয়নি তাদের অবৈধ স্থাপনা। এই সাড়ে ৪ মাসে রেলওয়ের ভূ–সম্পত্তি বিভাগ এখনো পর্যন্ত বড় বড় প্রভাবশালীদের দখলে থাকা রেলের কোনো জমি উদ্ধারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
সম্প্রতি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল থেকে দুুটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। একটি হালিশহর রেলওয়ে গুডস্ পোর্ট ইয়ার্ড সংলগ্ন এবং অপরটি সিআরবিসহ পুরাতন রেল স্টেশনে। এর বাইরে বড় ধরনের লাগাতার কোনো উচ্ছেদ অভিযান নেই। চট্টগ্রাম নগরীর বাইরেও বিভিন্ন স্টেশন এর আশেপাশে রেলের জায়গা দখল করে বাড়িঘর ও দোকান গৃহ নির্মাণ করেছে অনেকেই। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে না বললেই চলে।
জানা গেছে, প্রয়োজনীয় সাপোর্ট না পাওয়ায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রয়েছে। সরকারের অন্যান্য বিভাগ গুলো থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে যে কোন সময় জায়গা উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূ–সম্পত্তি বিভাগ সূত্রমতে, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে সিলেট জামালপুর, টাঙ্গাইল সেতুর পূর্বপাশ ও চাঁদপুর পর্যন্ত রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীন। এরমধ্যে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় ২২৫ একর জমি অবৈধ দখলদারদের হাতে। বাকি ২৭৫ একর জমি অন্যান্য জায়গায় বেদখলে আছে। চট্টগ্রাম জেলায় ২২৫ একর জমির মধ্যে ১২৫ একর জমি আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাকি ১০০ একর জায়গা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দখলে রেখেছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের বাইরে ২৬৭ একর জমির মধ্যে প্রায় দেড়শ একর জমি সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, বাকি জমি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দখলে রেখেছে। এসব জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া প্রয়োজন বলে জানান রেলওয়ের কর্মকর্তারা।
সরকারের অন্যান্য বিভাগ থেকে রেলওয়ে বিভাগের জায়গা বেশি পরিমাণ দখল হয়ে আছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এসব জায়গা দখল করে অপরাধের স্বর্গরাজ্য করে তুলেছে। দখল করা এসব জায়গায় বসতবাড়ি নির্মাণ করে বিভিন্ন প্রকারের অপরাধ সংগঠিত করে এখানে বসবাস করা টোকাই শ্রেণীর লোকজন। এদের আবার লালন পালন করে স্থানীয় রাজনীতিবিদরা। মাদকদ্রব্যের আখড়া গড়ে তোলা হয় দখল করা এসব জায়গায়। মাঝেমধ্যে পুলিশের অভিযানে অপরাধের প্রবণতা কমে আসলেও তা চিরতরে বন্ধ করার জন্য এসব জায়গা উদ্ধার করে প্রশিক্ষণ বিষয়ক স্থাপনা নির্মাণ করা যেতে পারে বলে অনেকের অভিমত। রেলের কর্মকর্তারাও এদের অপরাধের সাথে অনেক সময় জড়িত হয়ে যায়।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

