swadhinshomoy
18th Aug 2025 4:06 am | অনলাইন সংস্করণ Print
মোঃসিরাজুল মনির,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
বর্তমান সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্থিরতা বিরাজমান। সাধারণ মানুষের কল্যাণে করা রাজনীতি এখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এক ধরনের বিরক্ত হয়ে গেছে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড দেখে।
বর্তমান সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্থিরতা বিরাজমান। সাধারণ মানুষের কল্যাণে করা রাজনীতি এখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এক ধরনের বিরক্ত হয়ে গেছে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড দেখে।
সাধারণ মানুষের কল্যাণে করা রাজনীতি যখন জনগণের বিপক্ষে চলে যায় তখন সেটাকে ফিরিয়ে আনা খুব মুশকিল। স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গুলো হারিয়ে যেতে বসেছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবে এ দেশ থেকে যদিও স্বৈরাচারী পালিয়ে গেছে এবং একটা অন্তবতী সরকার গঠিত হয়েছে সেই অন্তবর্তী সরকারের কাছে সাধারণ জনগণের চাওয়া পাহাড় সমান। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দ্বারা প্রবাহিত হয়েছে ভিন্ন পথে। বাংলাদেশের আরেকটি পুরনো দল হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এর মধ্যে অনেক ছোট দল থাকলেও তাদেরকে সাধারণ মানুষ কোন চোখে দেখে তা না জানলেও বিএনপির উপর মানুষের আস্থাটা বরাবরই থেকে ছিল এবং আগামীতে বাংলাদেশের জনগণ বিএনপির উপর আস্থা রাখতে চাই এটা যেমন সঠিক তেমনি সুন্দর সুস্থ একটা রাষ্ট্র গঠনে জনগণ সহায়তা করবে সেটাও সঠিক।
বড় দল হিসেবে বিএনপি’র মাঠ পর্যায়ে কিছু নেতাকর্মীর অনৈতিক কর্মকান্ডে বিএনপি’র হাই কমান্ড বিব্রত। যদিও অনৈতিক কর্মকান্ডের দায়ে প্রায় প্রতিদিন বিএনপি থেকে নেতাকর্মীরা বহিষ্কারের নোটিশ পাচ্ছে। কিন্তু বহিষ্কার কোন সমাধান নয় মাঠ পর্যায়ের অনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলোকে রোধ করার জন্য আরো কঠিন ব্যবস্থা নিয়ে যেতে পারে যেমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড করা বা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত থাকা নেতাকর্মীদেরকে সরাসরি পুলিশে সমর্পণ করে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তাহলে হয়তো যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত তারা কিছুটা হলেও তাদের এই অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখবে। তারা যাতে কোন প্রকারের রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
ছোট রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে ইসলামী দল হিসেবে জামায়াতের প্রাধান্য রয়েছে দেশে তাই তাদের কর্মকান্ডকে বিবেচনা করে জনগণ এমন বড় কোন সিদ্ধান্ত নিবে বলে মনে হয় না। জামায়েত ইসলামের কর্মকাণ্ড সঠিক পথে পরিচালিত হলেও ভোটের মাঠে তারা একেবারেই দুর্বল। কারণ বাংলাদেশের জনগণ এখনো ব্যালট পেপারে দুইটা মার্কা ধরে আগাবে একটা হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ধানের শীষ আরেকটি হলো সদ্য বিলুপ্ত সংগঠন আওয়ামী লীগের নৌকা। আগামী নির্বাচনে যদি ব্যালট পেপারে নৌকার মার্কা না থাকে তাহলে সাধারণ জনগণ দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে কাকে বেছে নিবে সেটা নির্বাচনকালীন সময়ে বোঝা যাবে। তবে আপাতত সাধারণ মানুষের ভোটের জায়গায় ধানের শীষ প্রতীকটা মূর্তিমান হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সাধারণ মানুষের ইমোশনের জায়গায় যদি ধানের শীষ প্রতীক থেকে যায় তাহলে আগামীতে অবশ্য সরকার গঠন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের আমলে সাধারণ জনতা কিছু কিছু জায়গায় আস্তা রাখতে পারলেও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ইতিমধ্যে হঠাৎ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এসব বিষয় সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে যা আগামীতে রাজনৈতিক সরকারের কাছে এসব বিষয় সংস্কার প্রাধান্য পাবে।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

