• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • সরেজমিন কক্সবাজার(১) সী বিচের সামগ্রিক উন্নয়ন জরুরি 

     swadhinshomoy 
    03rd Sep 2025 11:20 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোহাম্মদ সিরাজুল মনির:

    সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান প্রতি তিন মাস পর পর এক সপ্তাহের জন্য কক্সবাজার ভ্রমনে আসেন। উনার শখ হল প্রতিদিন সকালে ফজরের নামাজ পড়ে লাবনী বীচ পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা বীচ হয়ে কলাতলী পর্যন্ত হাটা এবং এর পুরোটাই হল বালির মধ্য দিয়ে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত হেঁটে যাবে কিন্তু উনার সে আশা পূরণ হয় না অনেকদিন ধরে উনার বক্তব্য অনুযায়ী দেখা গেল লাবনী সী বিচ পয়েন্ট থেকে সরাসরি কলাতলী সী বিচ পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই তার একমাত্র কারণ হলো সুগন্ধা বিচ পেরিয়ে মাঝখান দিয়ে ভেঙে গেছে এবং এতে পানি আসা যাওয়া করে। তাই নির্বিঘ্নে সিবিচে হাটার কোন সুযোগ পাচ্ছে না কক্সবাজার ভ্রমণকারীরা। এরকম অনেক পর্যটকের ইচ্ছা শুধু সীবীচে হাঁটাচলা করবে কিন্তু সি বিচ আগের চাইতে অনেকটা ভেঙে যাওয়ায় এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত আসা-যাওয়া করে আনন্দ পাচ্ছে না পর্যটকেরা।

    ২০১৫ সালের পরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। প্রায় ২৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পে লাবনী সি বিচ পয়েন্ট এর আগে থেকে কলাতলী বিচ পয়েন্ট পর্যন্ত একটি ওয়াকওয়ে কাম সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল যার পুরোটাই জলে চলে গেছে। এটি নির্মাণ হওয়ার এক বছরও টিকতে দেখা যায়নি। কক্সবাজারের পরিকল্পনাবিদরা মনে করেন সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ না করে উক্ত প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল কিন্তু সেই প্রকল্পে দুর্নীতির কালো থাবা পরার কারণে অনুন্নত কাজ হয়েছিল পরবর্তীতে অধিক জোয়ারের পানিতে তা বঙ্গোপসাগরের তলিয়ে গেছে।

    পর্যটকদের অভিমত কক্সবাজার সি বিচ নিয়ে সুদূর পসারি পরিকল্পনা প্রয়োজন আস্তে আস্তে বঙ্গোপসাগরে বিলীন হতে চলেছে পুরো সি বিচ। অল্প কিছুদিনের মধ্যে সী বিচ রক্ষায় বড় কোন পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত সাগরের মধ্যে হারিয়ে যাবে। আর কক্সবাজারে প্রায় সকল পর্যটক আসে সি বিচ দেখতে সেই সী বিচ যদি সাগরে হারিয়ে যায় তাহলে অধিক রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে সরকার। শুধুমাত্র সি বিচের উপর নির্ভর করে কক্সবাজারের পরিচিতি রয়েছে সারা বিশ্বে।

    অপরদিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কে গড়ে ওঠা সী বিচেরও উন্নয়ন জরুরী মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি থেকে শুরু করে ইনানী পর্যন্ত দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় এখনো ভালো করে পরিবেশ গড়ে ওঠেনি পর্যটকদের জন্য। পর্যটকরা মেরিন ড্রাইভ সড়কের মাঝে মাঝে অবস্থান করে সী বিচের পরিবেশ খুঁজলেও মূল সী বিচের পরিবেশ পাচ্ছে না। আবার ইনানী বেচে গিয়ে খুব কম দৈর্ঘ্য হওয়ায় অনেকেই ভ্রমণে আনন্দ খুঁজে পাচ্ছে না বলে পর্যটকরা জানান। দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের টিকিয়ে রাখতে সরকার সরাসরি নজরদারি করার প্রয়োজন বলে সকলের অভিমত।

    এ বিষয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ সালাউদ্দিন জানান কক্সবাজার সী বিচ রক্ষা এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বড় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে যা আগামী কিছুদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা শুরু হয়ে যাবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930