• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করা যাচ্ছে না কর্ণফুলী নদীকে 

     swadhinshomoy 
    06th Sep 2025 7:20 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম ব্যুরো:

    নদীর একুল ভাঙ্গে ওকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা ঠিক গানের এই সুরের মতো একদিকে অবৈধ দখল মুক্ত করলে আরেক দিকে দখল হয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী। কোনভাবেই রক্ষা করা যাচ্ছে না অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে এই নদীকে। দখল করা জায়গা একদিকে মুক্ত করার পর তারা অন্য জায়গায় গিয়ে দখল করে অবৈধভাবে বিভিন্ন প্রকারের ব্যবসা চালিয়ে যায়।

    আবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন শিল্পকারখানা বর্জ্য। চট্টগ্রামের কল কারখানা গুলোর সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় সরাসরি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে বর্জ্য গুলো পড়ার কারণে নদীর পানি দূষিত হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর এসব শিল্প কারখানাগুলোর সঠিক নিয়মে ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হচ্ছে না কোন ভাবে।

    কর্ণফুলী নদী পরিদর্শনে দেখা যায় নগরীর ফিশারীঘাট এলাকা থেকে চাক্তাই শাহ আমানত সেতু আবার শাহ আমানত সেতু থেকে কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত অবৈধ দখলদাররা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন প্রায় প্রতি মাসে এসব জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য অভিযান পরিচালনা করে থাকে কিন্তু অভিযান পরবর্তী সময়ে আবার পুনরায় অবৈধ দখলদাররা প্রতিযোগিতায় নেমে যায় নদীর তীর দখল করার জন্য। কেউ অবৈধভাবে দখল করে দোকান গৃহ নির্মাণ করে আবার কেউ দখল করে বাঁশের ব্যবসা সহ বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে। কর্ণফুলী নদীর সাথে লাগোয়া চাক্তাইখাল প্রায় পুরোটা দখল হয়ে আছে বললেই চলে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে খালের এসব জায়গা দখল করে ফেলে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়। অবৈধভাবে খালের এসব জায়গা দখল করে রাখার কারণে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা-যাওয়া করা ছোট ছোট মালামাল বহনকারী জাহাজগুলো খালে প্রবেশ এবং বাহির হতে বাধা সৃষ্টি হয়।

    এ বিষয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম জানায় আমরা প্রতিনিয়ত কর্ণফুলী নদীকে দখল এবং দূষণমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করে থাকি। অভিযান পরবর্তী সময়ে তারা আবার পুনরায় খাল দখল করে ফেলে। তবে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান। দূষণমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন শিল্প কারখানা গুলোকে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিনিয়ত নোটিশ প্রদান করা হয়। এবং অনেকগুলো শিল্প কারখানাকে ইতিমধ্যে জরিমানা সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আগামীতে কর্ণফুলী নদীকে রক্ষা করতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

    এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন বলেন কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখলদার যত বড় ক্ষমতাধর হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কর্ণফুলী নদী রক্ষায় চট্টগ্রামের সকল সেবা সংস্থা গুলো এক হয়ে কাজ করার কথাও তিনি জানান। চট্টগ্রাম শহরকে রক্ষা করতে হলে কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে হবে আর কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে হলে তখন ও দূষণমুক্ত করতে হবে বলে তিনি জানান।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন দেশের রাজস্বের অধিকাংশ আসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আর চট্টগ্রাম বন্দর এই কর্ণফুলী নদীতে এই অবস্থিত তাই কর্ণফুলী নদীকে অবৈধ দখলদার এবং দূষণমুক্ত করে চট্টগ্রাম বন্দরকে রক্ষা করার কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে বলে তারা জানান।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930