আল রোকন,রিপোর্টার কুমিল্লাঃ
কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলায় ৯নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে দুই হাজার পরিবার পানি বন্দী হয়ে পরে আছে বছরের পর বছর কষ্ট ও দুর্দশা নিয়ে দিন পার করছে তিন নং ওয়ার্ডের জনগণ দুর্ভিক্ষের মতো দিন যাচ্ছে তাদের এ অঞ্চলের জনগণের যাতায়াতের জন্য নেই কোন রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উঃ মোহাম্মদপুরের সাথে পশ্চিমে বেহেনাটা মোহাম্মদপুর দক্ষিণ মধ্যস্থলে এর চতুর্দিকে অবৈধভাবে খাল ভরাট করার ফলে বৃষ্টি হলে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায় বৃষ্টি হলে রাস্তা ডুবে পানি বাড়ির উঠোনে পৌঁছায় সেচে পাম দিয়ে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা করেন এলাকার জনগণ ১৮০ একর জমি প্রতিনিয়ত সারা বছর পানির নিচে ডুবে থাকে পানি নিষ্কাশনের জন্য নেই কোন কালভার্ট কৃষি জমি থেকে নৈই কোন ফসল উৎপাদন এতে করে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বছরের পর বছর জমিগুলো পানির নিচে তলিয়ে থাকে।
তিন নং ওয়ার্ডের সুশীল সমাজ মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ ও জনগণের কাছ থেকে জনদুর্ভোগের কথা শুনে এই ওয়ার্ডের জনগণ ৭-৮ মাইল রাস্তা পায়ে হেঁটে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়।যাতায়াতের এক মাএ রাস্তা হচ্ছে আমিরাবাদ কচুয়া রোডের মাথা থেকে শুরু হয়ে লতিফ মিয়ার বাড়ি হয়ে সামসু ফকিরের বাড়ির সামনে দিয়ে নেপাল পোদ্দারের বাড়ি শেষ মাথা পর্যন্ত ও দোকানের সামনে দিয়ে মলয় বাজার পর্যন্ত এ রাস্তা দিয়ে দুই তিন হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। হাঁটা চলাচলের করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে জনগণের নেই কোন বিকল্প রাস্তা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার কোন ব্যবস্থাই নেই রাস্তায় দিয়ে বিশাল বড় গর্ত হয়ে পড়ে আছে অন্যান্য দিকে রাস্তা জমিনের সাথে মিশে গেছে কিছু আরো লক্ষ্য করা যায় রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে চলে গেছে পড়ে আছে রাস্তার বেহাল দশা কোন ব্যবস্থা নেই অবাক করার মত কিছু তথ্য পেয়েছি জরুরি রোগী নিয়ে যাওয়ার পথে মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছে।
দাউদকান্দি উত্তর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই। ৩নং ওয়ার্ডে সরকারি বরাদ্দের কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি যাতায়াত ব্যবস্থা রাস্তা ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশন জলাবদ্ধতা কোন কাজ কার্যকর করা হয়নি তিন নং ওয়ার্ডের জনগণ বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে আছে নেই কোন ব্রীজ ও কালভার্টের ব্যবস্থা সরকারি কোন অনুদান দেওয়া হয় না তিন নং ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের বসবাস থাকায় ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না বরং লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে হুমকি-ধমকি দিয়ে বলছে তোমরা মজিবুর রহমান চেয়ারম্যান এর লোক বলে অপমান অপদস্ত করে ফেরত আসতে বাধ্য হই। সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মুজিবুর রহমান ছিলেন মোহাম্মদপুর উঃ ইউনিয়নের বিএনপি’র পাওয়ারফুল নেতা ছিলেন ওই সূত্র ধরে বিগত আমলে কাজ বা সরকারি কোন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তিন নং ওয়ার্ডে একটি দুর্গা মন্দির ও স্কুল মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আছে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের কোন সুব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। তিন নং ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার এই ওয়ার্ডের জনগণের একটাই দাবি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের জন্য কালবার্ট স্থাপন করে দেওয়া এ অঞ্চলের জনগণের দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি চায় জনগন।

