• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ‎খোলাবাজারে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রিতে সীমাহীন অনিয়ম, বঞ্চিত নিম্ন আয়ের মানুষ 

     swadhinshomoy 
    26th Oct 2025 8:21 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    প্রতিবেদক রিটন ইসলাম:

    ‎খোলা বাজারে সরকারি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির আওতায় চাল ও আটা বিক্রিতে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময় ও পরিমাণে বিক্রি না করে ডিলার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কালোবাজারে চাল-আটা বিক্রিতে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    ‎সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ভ্রাম্যমান ট্রাকে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দেড় টন চাল ও দুই টন আটা বিক্রির কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায় সকাল ১১টার পর থেকেই অনেক পয়েন্টে ট্রাক, ডিলার কিংবা তদারককারী কর্মকর্তাদের দেখা মেলে না।

    ‎অভিযোগ রয়েছে, এসব ডিলার মাত্র কিছু পরিমাণ চাল ও আটা বিক্রি করে বাকি ৭৫ শতাংশ পণ্য কালোবাজারে পাচার করেন। অফিসে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাতে ফোন কেটে দেন, এমনকি অনেক সময় ফোনই রিসিভ করেন না।
    ‎হাজারীবাগ ও নীলক্ষেতে অনিয়মের চিত্র
    ‎হাজারীবাগ দরবার শরীফের সামনে ওএমএস ট্রাকের দায়িত্বে থাকা ডিলার খান শামীমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার নামে কাগজ থাকলেও আমি নিজে ট্রাক চালাই না, আমার ভাতিজা চালায়। গাড়ি কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন ব্যস্ত, পরে কথা বলব।
    ‎তদারককারী কর্মকর্তা শামসুর আলম দাবি করেন, তিনি একটু আগেই সেখানে গিয়ে এসেছেন এবং সব ঠিকঠাক আছে। তবে স্থানীয় দোকানদাররা জানান, দুপুর ১২টার পরই ট্রাক চলে যায় এবং বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে অফিসে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তারা দায়িত্ব জনগণের ওপর চাপিয়ে বলেন, আপনারা নিজেরাই তাদের ধরবেন।
    ‎একই চিত্র দেখা গেছে নীলক্ষেত এলাকাতেও। সেখানে তদারককারী জহিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয়ে কথা বলা প্রতিবেদককে ভুয়া সাংবাদিক বলে অপমান করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম সচরাচর পয়েন্টে আসেন না এবং ডিলারদের সঙ্গে মিলে অনিয়মের মাধ্যমে লাভবান হন।
    ‎অভিযোগ রয়েছে, ওই কর্মকর্তা নিজেকে অদৃশ্য শক্তির আশীর্বাদপুষ্ট দাবি করে বলেন, আমার হাতে ২০–২৫ জন সাংবাদিক আছে। স্থানীয়দের মতে, এসব কথাই প্রমাণ করে যে ওএমএস ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে এবং ডিলার-কর্মকর্তাদের যোগসাজশে প্রকৃত নিম্ন আয়ের মানুষ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
    ‎স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, নিয়মিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা না থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ প্রতিদিন ওএমএস ট্রাকের পেছনে ছুটে ব্যর্থ হচ্ছেন। তারা সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন, দ্রুত তদন্ত করে এসব দুর্নীতিবাজ ডিলার ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং তাদের ডিলারশিপ বাতিল করতে।
    ‎সরকারের জনপ্রিয় এই কর্মসূচি যাতে প্রকৃত নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সুষ্ঠু মনিটরিং এবং কঠোর প্রশাসনিক তদারকি জরুরি বলে মনে করছেনহ সচেতন মহল।
    ‎দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশিত হবে: অনিয়মের প্রমাণসহ

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    October 2025
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031