দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ফরিদ আহমেদ
কুষ্টিয়া দৌলতপুর বাংলাদেশের বৃহৎ একটি উপজেলা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর। ৪৬১ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের, ভারতের সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় ৮ লক্ষের অধিক মানুষের বসবাস করে।আর তাদের চার পাশের কৃষক যখন ফসল কাটা বা রোপনের ব্যস্ত তখনই স্থায়ীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে সাথে ফসল চাষ করে বাজিমাত শাহীনের। মাত্র ৬০ হাজার টাকা খরচ করে ৬৬ শতাংশ জমিতে দই মাসেই বিক্রি করেছেন প্রায় চার লক্ষ টাকার মরিচ ও লাউ। ক্ষেতে এখনো রয়েছে ছোট-বড় দুই হাজারের অধিক লাউ।
মরিচ ও লাউয়ের বাম্পার ফলনে হাসি ফুটেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ শাহীন হোসেনের। চলতি বছরে বৃষ্টির কারণে যখন মরিচ খেত নষ্ট হওয়ার উপদ্রব তখনই দৌলতপুর কৃষি অফিসের পরামর্শে মরিচের সাথে সাথী ফসল হিসেবে রোপন করে লাউ এর বীজ। আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি শাহীনকে। মরিচ গাছ একসময় নষ্ট হয়ে গেল জমি এখন মরিচ গাছের সাথে ঝুলছে শত শত লাউ। রোগ ও পোকামাকড় দমনে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে ও তারা।
মঙ্গলবার (১৮নভেম্বর) বিকাল ৪টায় সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়া উপ-পরিচালক মোঃ শওকত হোসেন ভূঁইয়া ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন তার জমিতে পরিদর্শন করে রোগবালাই দমনসহ কৃষকদের বিভিন্ন বিষয়ে সবজি চাষের পরামর্শ প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আলী আহমেদ, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ শাহরিয়ার শামীম , মোঃ আসাদুল ইসলাম।
এসময় কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে ও সহযোগিতায় শাহীন হোসেন ৬৬ শতাংশ জমিতে মরিচ ও সাথে ফসল হিসেবে রনক ও কুসুম জাতের বীজ রোপন করে। বীজ রোপন করে সাথে ব্যবহার করছে ভারমি কম্পোস্টসহ প্রয়োজনীয় সার। দুই মাস পরিচর্যা করে তিনি পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
কৃষক মোঃ শাহীন হোসেন জানান, দুইমাস আগে জমিতে অতিরিক্ত বর্ষার কারণে পানি বাঁধে। তাই বীজ রোপন করতে দেরি হয়েছে। না হলে আরও বেশি দামে লাউ বিক্রি করতে পারতাম। আমার এ খেতে বর্তমানে ছোট-বড় দুই হাজারের অধিক লাউ রয়েছে। মাত্র দুই মাসে মরিচ ও লাউ বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করেছি। আজও ২০৬ পিস লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে

