কেন্দুয়া প্রতিনিধিঃ
কেন্দুয়া পুরাতন বাসষ্যান্ড, বর্তমান সিএনজি ষ্ট্যান্ড, কেন্দুয়া নেত্রকোণা,কেন্দুয়া আঠারবাড়ী রাস্থার সংযোগ স্থলে,হাইওয়ে রাস্তার পাশে কেন্দুয়া পৌরসভার শহীদ মিনার সংলগ্ন কবরস্থানটির গেইটে প্রতিদিন প্রকাশ্যে প্রস্রাব করছে অসংখ্য মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সারাদিনে কমপক্ষে হাজারো মানুষ এই স্থানে প্রস্রাব করে থাকেন, যা শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতি ও মৃতদের প্রতি চরম অবমাননাকর।
সরেজমিনে দেখা যায় , সিএনজি পার্কিংয়ের কারণে কবরস্থানের প্রধান ফটকের সম্মুখ ভাগ আড়াল হওয়ায়
জনবহুল জায়গায় দিনেদুপুরে পস্রাব করছে অসংখ্য
মানুষ, তাছাড়া আশপাশে নেই কোনো সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড, এমনকি নেই নিয়মিত তদারকি। ফলে পথচারী, যানবাহনের চালক ও আশপাশের দোকানদারদের একটি অংশ নির্বিঘ্নে এই স্থানটিকে অঘোষিত ‘প্রস্রাবখানা’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
স্থানীয় মুসল্লি ও সচেতন নাগরিকরা জানান, এটি একটি কবরস্থান—যেখানে প্রতিনিয়ত দাফন কার্যক্রম হয়। শহীদ মিনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশেই এমন একটি পবিত্র স্থান দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার হলেও এর দায়িত্ব যেন কেউ নিতে চায় না। কাগজে পত্রে এর দায়িত্বে কেন্দুয়া পৌরসভা এই কবরস্থান পরিচালনা করে কিন্ত ব্যাবস্থাপনায় রয়েছে পুরাতন জামে মসজিদ কমিটি। সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। পর্যাপ্ত আলো, সীমানা প্রাচীর, গেট সংস্কার, নজরদারি ও বিকল্প পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
সচেতন মহল মনে করছেন, অবিলম্বে কবরস্থানটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা না হলে এটি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের একটি দৃষ্টান্তে পরিণত হবে। তারা দ্রুত পৌরসভার উদ্যোগে কবরস্থানটির সীমান প্রাচীর সংস্কার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পাবলিক টয়লেট স্থাপন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দুয়া পৌরসভার প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাতুল ইসলাম বলেন
বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে কবরস্থানের মতো পবিত্র জায়গায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোন ভাবেই কাম্য নয়। অচিরেই সর্তকতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, সীমানা প্রাচীর সংস্কার, পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা ও নজরদারীর ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

