• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রামদাসহ ‘বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী’ আটক 

     swadhinshomoy 
    08th Jan 2026 5:47 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

     

    চট্টগ্রাম :
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক বহিরাগত কর্মীকে রামদাসহ আটক করেছে। বুধবার রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল থেকে নূর হোসেন বিপ্লব (২৩) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়।

    জানা যায়, বিপ্লব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান ‘আইএসএস’-এর কর্মী এবং তার বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি। ক্যাম্পাসের অনেকে তাকে চেনেন ‘আতঙ্ক বিপ্লব’ নামে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য আতঙ্কের হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।

    শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েকজন স্থানীয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিপ্লবের বিরোধ তৈরি হয়। টাকার অঙ্ক নিয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়।

    একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিপ্লবের বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি হওয়ায় উভয় পক্ষ শাহ আমানত হলে বিষয়টি সমঝোতার জন্য বসার সিদ্ধান্ত নেয়।

    কিন্তু শাহ আমানত হলে যাওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিপ্লব একটি রামদা নিয়ে হলে প্রবেশ করেন।

    হলের গেইট দিয়ে বিপ্লবকে রামদা হাতে ঢুকতে দেখে শাহ আমানত হল ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি আকাইদ খান তাকে হলের নিরাপত্তা দপ্তরে নিয়ে যান। সেখানে বিপ্লব নিজেকে ছাত্রলীগের কর্মী বলে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, ওই মোবাইল ফোনের ক্রেতারাও ছাত্রলীগের কর্মী।

    বিপ্লব বলেন, “আমার সাথে রাজনীতি করা সহকর্মীরা আমার সাথে বেঈমানী করেছে। তারা বেঈমানী করায় আমার রাগ হয়। তাই আমি তাদের শুধু ভয় দেখানোর জন্য রামদা নিয়ে এসেছি।”

    বিপ্লব দাবি করেন, যারা আগে ছাত্রলীগ করতেন, তারা এখন ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ তাদের ‘শেল্টার’ দিচ্ছেন। ওই ছাত্রদল নেতা তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি নিয়ে গেছেন। এসব কারণে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ‘ভয় দেখানোর’ চেষ্টা করেছেন।

    শাহ আমানত হল সংসদের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক আকাইদ খান বলেন, “আজ যেভাবে একজন দা হাতে হলে ঢুকতে পেরেছে, তাতে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারত। শাহ আমানত হল বর্তমানে স্পষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে এবং দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এটা বাইরের ঘটনা হলেও হলের ভেতরে সংঘটিত হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    চাকসুর আইন সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ বলেন, “এ ঘটনায় উভয় পক্ষই বহিরাগত। বহিরাগতদের একটি বিরোধ মীমাংসার খাতিরে হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে নিয়ে আসা মোটেও কাম্য নয়।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি মামলা করা হবে বলে প্রক্টর হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটত, তার দায় সরাসরি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপরই পড়ত। আইএসএসের নিরাপত্তা কর্মী, কর্মকর্তা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত যেই হোক না কেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া জরুরি।”

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031