পাটগ্রাম প্রতিনিধিঃ প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে পাটগ্রামে দুই সাংবাদিক এর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন ডাক্তার সাফাউল আলম। পাটগ্রাম হাসপাতালে সদ্য যোগদানকৃত ডাক্তার সাফাউল আলম ছাত্র জীবন থেকেই নীলফামারী জেলাধীন কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম এলাকার আব্দুর রাজ্জাক এর মেয়ে সানজিদা আক্তারের সাথে প্রেমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করে গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু সাফাউল আলম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ডাক্তার হওয়ায় শুরু হয়ে যায় সানজিদা আক্তারের জীবনের এক ষকালো অধ্যায়। মোটা অংকের যৌতুক দাবির পাশাপাশি সানজিদা আক্তারের বিরুদ্ধে শুরু হয় গভীর ষড়যন্ত্র ও পারিবারিক নির্যাতন,বন্ধ করে দেওয়া হয় সকল প্রকার যোগাযোগ। নিরুপায় সানজিদার পরিবারের বাবা,মা ও দুই বোন ছাড়া তেমন কোন অভিভাবক না থাকায় তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় চালাকচতুর ডাক্তার সাফাউল আলম প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সানজিদা আক্তারকে বিয়ে করে মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে প্রতারণা করেন। যৌতুকের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দিতে অনিহা প্রকাশ করেন। এমন পরিস্থিতিতে গত ২৫ শে মার্চ পাটগ্রাম হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার সাফাউল আলম এর সাথে তার স্ত্রী সানজিদা আক্তার দেখা করতে গেলে তাদের মাঝে শুরু হয়ে যায় বিপত্তি। এঘটনায় সানজিদা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিক কামরান হাবিব ও মমিন খাঁন মুন সহ বেশ কয়েকজনকে বিষয়টি অবগত করলে স্থানীয় সাংবাদিকরা অসহায় মেয়েটির পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করায় ডাক্তার সাফাউল আলম রেগে গিয়ে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে ঘটনার ৪ দিন পর দুই সাংবাদিক এর নামে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে হয়রানি করেছেন। ডাক্তার সাফাউল আলম এর বাড়ি লালমনিরহাটের সাপটি বাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানকার সরকার দলীয় নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে মামলা দায়ের করায় স্থানীয় সাংবাদিকরা নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এঘটনায় ডাক্তার সাফাউল আলম এর নাম্বার বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও সাংবাদিক কামরান হাবিব জানান ঘটনার সিসি ফুটেজ আমলে নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই ঘটনার প্রকৃত সত্যতা বেড়িয়ে আসবে এছাড়াও একই ঘটনায় অভিযোগকারীর দুই ধরনের অভিযোগে প্রমাণিত হয়েছে মামলাটি বানোয়াট ও মিথ্যা। এ বিষয়ে সানজিদা আক্তার বলেন আমার স্বামী ডাক্তার সাফাউল আলম একজন চালাকচতুর ও কৌশলী মানুষ হওয়ায় আমার সকল প্রকার ডকুমেন্ট ও বৈধতা থাকার পরেও আমি স্ত্রী’র মর্যদা পাচ্ছি না। আমি এই মিথ্যা মামলার নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানাই। আমি স্ত্রীর মর্যাদা নিয়ে ডাক্তার সাফাউল আলম এর সাথে শান্তিপূর্ণভাবে সংসার জীবন ধরে রাখতে চাই, এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানার ওসি নাজমুল হক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান চাপে পড়ে মামলা নিতে হয়েছে তবে ঘটনার তদন্ত হলেই প্রকৃত বিষয়টি সামনে চলে আসবে।

