মোঃআব্দুল হালিম খোকন,ময়মনসিংহ জেলা, ধোবাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ষড়ঋতুর অপার সৌন্দর্যের দেশ বাংলাদেশ। তারই এক মায়াময় ঋতু বর্ষা—আষাঢ়-শ্রাবণের দুই মাস যেন প্রকৃতির গায়ে নতুন অলঙ্কার। যদিও দেশের বহু প্রান্তে বর্ষার এই অপরূপ রূপ দেখা মেলে না, আমাদের ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলীয়া ইউনিয়ন এ ব্যতিক্রম।
প্রতি বছরের মতো এবারও উদয়পুর গ্রামসহ আশেপাশের বিস্তীর্ণ জনপদ বর্ষার সৌন্দর্যে সেজেছে। চোখ যতদূর যায়—শুধুই পানি, অথৈ জলরাশি। হালকা বাতাসে ঢেউ খেলে যায়, মনে হয় যেন গ্রামগুলো পানির বুকে ভেসে আছে। সবুজের চাদরে মুড়ে রেখেছে প্রকৃতি, যেন নিজের হাতে সাজিয়েছে এই জনপদকে।
এ অঞ্চলের কৃষকেরা বোরো ধান কাটার পর প্রতীক্ষা করে—কখন আসবে বর্ষা অথৈ পানি নিয়ে। বর্ষা এলে তাদের মন ভরে যায় আনন্দে। “মাছে-ভাতে বাঙালি” প্রবাদটি যেন এখানকার মানুষের জীবনে জীবন্ত হয়ে ওঠে। খাল-বিল ভরে যায় বর্ষার জলে, আর সেই জলেই মেলে দেশীয় মাছ। কৃষকেরা মাছ ধরে, হাসি-আনন্দে কাটিয়ে দেয় সময়।
প্রায় প্রতিটি ঘরে আছে একটি করে ডিঙি নৌকা। এই নৌকাই বর্ষায় তাদের সাথি, তাদের ভরসা। আমি, আব্দুল হালিম খোকন, এই এলাকারই একজন সন্তান। আমার এ মাটি, এ মানুষ—আমার প্রাণের ভালোবাসা। তারা বড় কোনো চাওয়া-পাওয়া জানে না, দিনের পর দিন পরিশ্রম করে সাদাসিধা জীবন যাপন করেই তৃপ্ত।
আমি এ অঞ্চলের মানুষগুলোর দীর্ঘায়ু, সুস্থতা আর চিরন্তন সুখ কামনা করি।
বর্ষার এই অপরূপ রূপ যেন বারবার ফিরে আসে আমাদের ধোবাউড়ায়। এ বর্ষা যেন অভিশাপ না হয়ে আর্শীবাদ হয়ে ফিরে আসে বার বার এ প্রত্যাশাকরি

