• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কমছে না নিত্যপণ্যের দাম, অদৃশ্য সিন্ডিকেটে থাবায় বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ 

     Ahmed 
    10th Oct 2025 4:14 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    অনলাইন ডেস্ক:   বৃষ্টিপাতের ফলে অনেক সবজিখেত ডুবে গেছে এবং সবজির সরবরাহ কমে গেছে। সবজির দাম বেশি হওয়ায় ডিমের চাহিদা বেড়েছে, যার ফলে ডিমের দামও বেড়েছে। গত কয়েক মাস ধরে নিত্যপণ্যের দাম দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আয়ের সঙ্গে খরচের ভারসাম্য রাখতে গিয়ে নিম্ন-মধ্যবিত্তদের কাটছাঁট করতে হচ্ছে প্রতিদিনের বাজার তালিকা। এভাবে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, সরকারের নিয়মিত নজরদারি ও সিন্ডিকেট শনাক্তকরণ ব্যবস্থা না থাকায় বাজারে অস্থিরতা এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে।শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির বাড়তি দাম দেখা গেছে।

    বাজারে প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায় বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এছাড়া প্রতি কেজি চিচিঙা ৮০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি (ছোট) প্রতি পিস ৬০ টাকা, গাজর প্রতি পিস ১৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    মসুর ডালের দামও বেড়েছে। মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। গত বছর মসুর ডালের দাম ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। মোটা দানার ডালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। তা ছাড়া পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকা, রসুন ৩৫ টাকা, আলু ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

    মাছ, মুরগি ও চালের দাম চড়া

    সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ও দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। আর সাধারণ মানের সরু চালের দাম সামান্য কমেছে। টিসিবির হিসাবে, খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২ টাকা বেড়ে ১৭২-১৮০ টাকা হয়েছে। আর পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া রসুন ও আদার দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

    এদিকে বাজারে দু-তিন মাস ধরেই মাছ, মুরগি ও চালের দাম চড়া। মাসখানেক আগে এর বাইরে গত এক মাসের মধ্যে আটা, মসুর ও মুগ ডালের দামও বেড়েছিল। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর এক ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকায়। বিভিন্ন ধরনের মাছের মধ্যে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২৫০ টাকা, কই ২৪০-২৮০ টাকা এবং রুই ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের মধ্যে প্রতি কেজি ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮০ টাকা, রশিদ ৭২ টাকা ও মোজাম্মেল মিনিকেট ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে আসা আবদুল মজিদ শাহরিয়ার বলেন, অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে, আবার কিছু কিছু সবজির দাম তার চেয়েও বেশি। বিগত চার মাস ধরে অতিরিক্ত বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। এত বেশি দামে সবজি কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম এখন অতিরিক্ত বেশি দাম হওয়ার কারণে আধা কেজি সবজি কিনছি। সাধারণ ক্রেতাদের আমার মত একই অবস্থা।

    কারওয়ান বাজারের ক্রেতা নাইম হাসান বলেন, বিগত চার মাস ধরে সবজি বিক্রেতারা বলে আসছে, এখন বেশিরভাগ সবজির মৌসুম নয় তাই দাম বেশি। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও সবজির দাম বাড়তি। তাহলে মৌসুমটা শুরু হচ্ছে কখন আর শেষ হচ্ছে বা কখন? এত বেশি সবজির দাম, তবুও বাজার মনিটরিংয়ের কোনো উদ্যোগ কখনো দেখলাম না। অসাধু চক্রের সদস্যরা অদৃশ্য থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের বাজার মনিটরিং দুর্বল হয়ে পড়ায় এই ‘অদৃশ্য সিন্ডিকেট’ দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। পাইকারি-খুচরা দামের ব্যবধান কমাতে না পারলে নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না।

    রহমত আলম বলেন, টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে খেত ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাবে আরও কিছুটা দাম বেড়েছে সবজির। এছাড়া বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় সেই সবজিগুলোর দাম বাড়তে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন সবজি উঠতে শুরু করবে, তখন থেকে সবজির দাম কমে যাবে। বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় সবজি সরবরাহ কম, যে কারণে সব ধরনের সবজির দামই বাড়তি যাচ্ছে।

    খুচরা বিক্রেতা মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমাদের পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনে আনতে হচ্ছে। সেই জন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এখানে খুচরা ব্যবসায়ীদের কিছু করার নেই।’

    বাড্ডার সবজি বিক্রেতা দেলওয়ার বলেন, করওয়ান বাজার থেকে সরাসরি সবজি কিনতে পারি না, আড়তের মাধ্যমে কিনতে হয়। তারা একজট হয়ে একটি নির্দিষ্ট দাম নির্ধারণ করে রাখে। ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রয় করা লাগে। বাজারে এসে ক্রেতারা আমাদের ওপর ক্ষোভ দেখান, কিন্তু আসলে দামের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    October 2025
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031