• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • রাজারহাটে স্কুলে চাকরির প্রলোভনে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: নিয়োগ হয়নি, উল্টো বিয়ে ভেঙে কনে এখন ভারতে 

     swadhinshomoy 
    25th Jan 2026 2:27 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ​রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের রাজারহাটের একটি বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি মেলেনি, উল্টো টাকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে একটি পরিবার। এই ঘটনার জেরে ভেঙে গেছে এক যুবকের বিয়ে, আর নিয়োগ প্রত্যাশী তরুণী সপরিবারে দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
    ​ঘটনার নেপথ্যে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারহাট উপজেলার রতিরাম কমলওঝা গ্রামের সেবেন চন্দ্র রায়ের পুত্র লিটন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল একই উপজেলার গতিয়াশাম গ্রামের অনন্ত রায়ের কন্যা গৌরী রাণীর। বিয়ের শর্ত ছিল, পুত্রবধূ গৌরী রাণীকে বাড়ির পাশের শিমুতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন শ্বশুর সেবেন চন্দ্র রায়।
    ​এই উদ্দেশ্যে সেবেন চন্দ্র রায় শিমুতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি ওয়াহেদ আলী এবং তৎকালীন প্রধান শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র রায়ের হাতে নগদ ৭ লক্ষ টাকা তুলে দেন।
    ​ টাকা লেনদেনের পর নিয়োগের অপেক্ষায় ছিল পরিবারটি। কিন্তু ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র রায় আত্মহত্যা করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। চাকরি না হওয়ায় এবং অনিশ্চয়তার মুখে লিটন ও গৌরীর বিয়ে ভেঙে যায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গৌরী রাণী তার পিতাসহ সপরিবারে ভারতে চলে যান। বর্তমানে লিটন চন্দ্র রায় অবিবাহিত অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
    ​ ভুক্তভোগী সেবেন চন্দ্র রায়ের অভিযোগ, একদিকে তিনি যেমন চাকরি পাননি, অন্যদিকে তার জমানো টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। এরই মধ্যে এলাকায় চাউর হয়েছে যে, সম্প্রতি ঐ বিদ্যালয়টিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ তিনটি পদে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে নতুন করে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে।
    ​ অশ্রুসিক্ত চোখে সেবেন চন্দ্র রায় বলেন, “ছেলের বিয়েটা ভেঙে গেল, টাকাগুলো দিয়ে এখন আমি পথের ফকির। আমি আর চাকরি চাই না, শুধু আমার কষ্টের ৭ লক্ষ টাকা ফেরত চাই যাতে ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাই এবং পরিবারের আর্থিক দীনতা ঘোচাতে পারি।”
    ​এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ সরকার বলেন টাকা পয়সার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031