শেখ রাজু আহমেদ,খুলনা:
খুলনা জেলার খান জাহান আলী থানার অধীনে ফুলবাড়ী গেট মীরের ডাঙ্গায় অবস্থিত সরকারি বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের খাবারের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে সরোজমিনে সাংবাদিকরা পরিদর্শনে গেলে দেখা যায় সরকারি ২০২৪ ও ২৫ অর্থবছরে খাবারের মেনুতে দেখা যায় শুক্রবার শনিবার সোমবার বুধবার সকালের নাস্তা পাবে একজন রোগী চিড়া ২১৬, ১০ গ্রাম ও।সাগর কলাএকটা ও চিনি ৪০গ্রাম সেখানে উন্নত মানের সাগর কলা ও উন্নত মানের চিড়া থাকবে যার দাম সর্বোচ্চ হাই কিন্তুকলা দিচ্ছে ছোট ১ টা দুপুরের মেনুতে থাকবে ২৮ ধানের চাউল যার প্রতি কেজি চাউলের দাম ৮২ টাকা সেখানে দিচ্ছে মোটা চাউল যার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা মাংস থাকবে দেশী মুরগির যার ওজন হবে ৬০০ গ্রাম প্রতি কেজির মূল্য থাকবে ৪৪০ টাকা প্রতি রোগী এক পিস মাংস পাবে ৮৭ গ্রাম ওজন হবে সে খানে দিচ্ছে বয়লার মুরগি যার প্রতি কেজির মূল্য ১৩০ টাকা তারপরেও একজন রোগী পাচ্ছে মাত্র ৩০ গ্রাম করে তৈল থেকে শুরু করে যাবতীয় মসলা থাকবে বিএসটিআই অনুমোদিত সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বাজারে লুস মসলা ও লুস তৈল দিয়ে খাবার তৈরি করছে যেখানে সাপ্তাহিক চারদিন মাছ তিন দিন মাংস দিবার কথা সেখানে মাছ ও মাংস দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু পরিমাণে খুবই ছোট একটি রুই মাছের ওজন হবে কমপক্ষে ৫০০গ্রাম সেখানে ২৫০ গ্রাম থেকে ৩০০ গ্রাম এক পিস মাছের ওজন যে দিন রোগীদের মাছ দিয়া হবে ১পিস মাছের ওজন হবে ৯১গ্রাম সেখানে দেখা যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৩০ গ্রাম প্রতিদিন দুপুর ও রাতে সবজি একটা সেখানে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র দুপুরেই একটা সবজি দেয়া হচ্ছে যেখানে ভালো ভালো দেশীয় সবজি দিবার কথা সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বাজারের সবচেয়ে নরমাল সবজি দিয়ে তৈরি হচ্ছে রোগীদের খাবারের সবজি ১৬-১১- ২০২৪ ইংরেজি তারিখ হইতে উন্নত মানের খাদ্য পরিবেশন করার কথা সরেজমিনে তদন্তে যে দেখা যায় কোন উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয় না বক্ষব্যাধি হাসপাতালে শুধুমাত্র রুলস ফলো করে খাবারের পরিবেশন হচ্ছে এ সমস্ত দুর্নীতি অনিয়ম নিয়ে হাসপাতালের কয়েকজন ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে কথা বললে রোগীরা বলেন যে আমাদের উন্নত মানের কোন খাবার পরিবেশন করা হয় না যে খাবার গুলো পরিবেশন করা হয় সেগুলো আসলে খাবার কোন উপযুক্ত না আমরা দায় ঠেকে খাই কোন দিন হয়তো খাবারে গন্ধ লবন হয় না মসলা পরিবেশন হয় না সম্পূর্ণই বাজে খাবার তাই আমাদের খেতে হয় কয়েক বার ডাক্তারদের কাছে অভিযোগ করলেও তার কোন সুরাহা হয় না এ বিষয়ে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রধান সহকারী এস এম শামীম আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে যে রোগীদের এ সমস্ত খাবার পরিবেশন করা হয় সেটা রোগীরা আমাকে কখনো অভিযোগ করে নাই যদি রোগীরা অভিযোগ করতো তাহলে আমি অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নিতাম

