swadhinshomoy
17th Aug 2025 8:17 am | অনলাইন সংস্করণ Print
আনিসুজ্জামান,কটিয়াদী,কিশোরগঞ্ জঃ
(১৬ আগস্ট, শনিবার ) – সকাল ১০ টায়, কটিয়াদী পৌরসভার চরিয়াকোনা বিশ্ব রোডের উপর এক ভয়াবহ এক্সিডেন্ট হয়! বালুর ট্রাক ও সিএনজি সংঘর্ষ! সিএনজি’র ভিতর অবস্থানরতদের মধ্যে সিএনজি’র ড্রাইভার, একটা ৮/৯ মাসের ছোট্ট শিশুসহ, তিনজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছিল!
(১৬ আগস্ট, শনিবার ) – সকাল ১০ টায়, কটিয়াদী পৌরসভার চরিয়াকোনা বিশ্ব রোডের উপর এক ভয়াবহ এক্সিডেন্ট হয়! বালুর ট্রাক ও সিএনজি সংঘর্ষ! সিএনজি’র ভিতর অবস্থানরতদের মধ্যে সিএনজি’র ড্রাইভার, একটা ৮/৯ মাসের ছোট্ট শিশুসহ, তিনজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছিল!
একজন বয়স্ক মহিলা(৬০/৬৫) বয়সের সম্ভবত হবে! উনার কোমড় থেকে নিয়ে পায়ের পাতা পর্যন্ত ভেঙে চুড়মাড় হয়ে গেছে! উপস্থিত জনতা যখন উনাকে ধরে, আরেকটি অটো’র মধ্যে উঠাচ্ছিল, তখন শুনতে পেরেছিলাম, উনার হাড় ভাঙ্গার মড়মড় আওয়াজ!
সিএনজি তে ছোট্ট একটা শিশু ছিল; তার মাথা দিয়ে অল্প র’ক্ত বের হতে থাকলেও – তার মাথার খুলি ভেঙে গিয়েছিল। এই বাচ্চাটির মায়ের মাথায়ও বেশ চোট লেগেছে – কপালের উপর থেকে কপালের ভিতরের হাড্ডি দেখা যাচ্ছিলো” কিন্তু তিনি তার ক্ষত উপেক্ষা করে – উনার সন্তানের জন্য ছটফট করতেছিলেন।
পরবর্তী তে জানতে পারি; অনেকদিন ধরেই নাকি উনার বাচ্চা হচ্ছিল না! অনেক চেস্টার পর একটা বাচ্চা হয়েছিল। উনার স্বামী বিদেশে থাকে – এখনো তার সন্তান কে সরাসরি দেখতে পারে নি! শুনলাম! ১৫ দিন পর উনি বিদেশ থেকে আসবে।
সিএনজির ড্রাইভারের– নাক দিয়ে ও মুখ দিয়েও প্রচুর রক্ত বের হয়েছে। অবশেষে যখন আহতদের ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় –
প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে– তাদের সবাইকেই ঢাকা পাঠানো হয়! আল্লাহ তায়ালা সুস্থ করে দিক!
এখানে একটা বিষয় আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে, সেটা হচ্ছে – “যখন এক্সিডেন্ট হয়েছিল” তখন রাস্তা’য় এতো গাড়ি চলাচল করার সময়ও একটা গাড়ি থামাতে চাচ্ছিল না! জোর করেও থামানো যাচ্ছিল না গাড়ি!!
আরেকটি বিষয় হচ্ছে – রাস্তায় এক্সিডেন্ট দেখে, ও হাসপাতালে, একটু রোগী কে ধরে উঠানো-নামানো’র কাজে সহযোগিতা না করে, প্রায়ই অধিকাংশ মানুষ ব্যস্ত ছিল – ” মোবাইলে ভিডিও করা নিয়ে “
হায় আফসোস! মোবাইল মানুষ কে এতোটায় অমানুষ করে তুলেছে- কিছুদিন আগে মাইলস্টোন কলেজেও দেখেছিলাম- ছোট ছোট স্টুডেন্ট’রা আগুনে পুড়ছে, আর মানুষ ব্যস্ত ভিডিও নিয়ে – আজ তাই দেখলাম,
হাসপাতালের একজন নার্স – বার বার বলছিলো – আপনারা কি মানুষ না, দেখছেন রোগীর অবস্থা খুব খারাপ আর রোগী মহিলা হওয়া সত্ত্বেও – কেন ভিডিও করছেন? কি লাভ এতে? – তারপরও মানুষ ভিডিও করে যাচ্ছে – সোশ্যাল মিডিয়া তে ছাড়তে –
আল্লাহ তায়ালা এই মোবাইলের জাহিলিয়াত থেকে আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক। (আমীন)
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

